
সবাই জানেন মানুষের গলার সামনের দিকে প্রজাপতি আকৃতির গ্রন্থিটির নাম থাইরয়েড।মানবদেহের বৃদ্ধি, বিকাশ, শারীরবৃত্তিক আর বিপাকীয় নানা ক্রিয়া-প্রক্রিয়ার জন্য এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরয়েড হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
থাইরয়েড হরমোন মেটাবলিজমের হার ঠিক রাখে, শরীরের তাপমাত্রা, হার্ট রেট ও রক্তচাপ বজায় রাখে।থাইরয়েডে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ খেতে হয়।এদিকে থাইরয়েডের ওষুধ খাওয়ার সময়ে কিছু খাবার খাওয়া অনুচিত। খাবার আর ওষুধের রি-অ্যাকশনে মারাত্মক অসুখ হতে পারে। বেশ কিছু সমীক্ষায় দেখা গেছে, সয়াবিন বা সয়াবিন জাতীয় খাবার খেলে থাইরয়েডের ওষুধ ঠিকমতো কাজ না-ও করতে পারে। তাই সয়াবিন, সয়ার দুধ-র মতো খাবার না খাওয়াই ভালো।ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট থাইরয়েডের ওষুধের সঙ্গে বিক্রিয়া করে। কাজেই থাইরয়েডের ওষুধের সঙ্গে দুগ্ধজাত খাবার ও ব্রোকলি খাবেন না।আবার,একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, কফি থাইরয়েডের ওষুধের সঙ্গে বিক্রিয়া করে।ওদিকে থাইরয়েডের ওষুধের সঙ্গে আয়রন সাপ্লিমেন্ট ও আয়রন সমৃদ্ধ খাবার, যেমন রেড মিট এড়িয়ে চলুন।গোটা শস্য, দানা শস্য, ডালের মতো খাবার থাইরয়েডের ওষুধ খেলে খাওয়া চলবে না।আঙুরের রস থাইরয়েডের ওষুধের শোষণে বাধা দেয়।পাশাপাশি, যেসব খাবারে চিনি বা বাড়তি মিষ্টি দেওয়া হয়েছে, তা ডায়েট থেকে বাদ দিন। চিনির পরিবর্তে গুড় বা মধু রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন। শুধু তা-ই নয়, দুগ্ধজাত খাবার শরীরে হরমোনের তারতম্য আরো বাড়িয়ে দেয়।
তাই দুধ, মাখন, চিজের মতো খাবার যত কম খাবেন, তত ভালো। এ ছাড়া রান্না করা গাজর, পাকা কলা, শুকনো ফল, মধু, ময়দার রুটি, সাদা ভাত, আলু, সাদা পোস্ত, মিষ্টি শরীরে কার্বহাইড্রেটের মাত্রা বাড়ায়। থায়রয়েড থাকলে এগুলোও কম খান।
