
প্রথমবার রথের চাকা গড়াল দিঘায়। নারকেল ফাটিয়ে সোনার ঝাড়ু দিয়ে ঝাঁট দিয়ে রথযাত্রার সূচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা-র রথের সামনে আরতি করেন। এরপর নির্ধারিত সময় মেনে দুপুর আড়াইটেয় রথের রশিতে টান পড়ে দিঘায়।
মখ্যমন্ত্রীর পাশে ছিলেন ইসকন, রামকৃষ্ণ মিশনের সন্নাসীরা। পদপিষ্টের মত ঘটনা এড়াতে মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন রথযাত্রার সময় রাস্তার লোক থাকবে না। সেইমত মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন ব্যারিকেডে যে দড়ি রয়েছে সেই দড়িই তিনটি রথের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। ওই দড়ি স্পর্শ করা মানেই রথের দড়ি স্পর্শ করা। পুরীর জগন্নাথ ধামের ধাঁচে তৈরি হলেও দিঘার রথ আকারে, আয়োতনে অনেটাই ছোট। তবে রথের গায়ে ওড়িশার রঘুরাজপুরের পটচিত্রের নকশা আঁকা রয়েছে। এখানেও জগন্নাথ দেবের রথ হলুদ-সাদা, ১৬টি চাকা। নাম নন্দীঘোষ। কালো-লাল রংয়ের বলরামের রথে ১৪টি চাকা। অন্যদিকে সবচেয়ে ছোট সবুজ রথটি সুভদ্রার। এই রথে রয়েছে ১২টি চাকা। দিঘার পুরনো জগন্নাথ মন্দিরের পাশেই মাসির বাড়ি।
মূল মন্দির থেকে যার দূরত্ব পৌনে এক কিলোমিটার। সমুদ্রনগরীর এই পথ ধরেই ভক্তদের ভিড়ের মাঝখান দিয়ে গড়গড়িয়ে ছুটে চলে রথ। তখন রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে পূণ্যার্থীরা প্রথমবার রথ দেখে বেশ উচ্ছ্বসিত। প্রত্যেকের মুখেই একটাই ধ্বনি জয় জগন্নাথ।






