এমবাপ্পের জোড়া গোলে নকআউটে ফ্রান্স

0
43
ছবি সৌজন্যে : এক্স

প্রতিপক্ষ বদলালেও গোল ঠিকই আদায় করে নিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। অর্থাৎ, সেনেগালের বিপক্ষে করা জোড়া গোলের পারফরম্যান্সের হাইলাইটসই যেন দেখালেন তিনি।

তার জোড়া গোলে ইরাকের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানের জয় পেয়েছে ফ্রান্স। বাকি গোলটি করেছেন উসমান দেম্বেলে।ফিলাডেলফিয়ায় জোড়া গোল করে কীর্তিও গড়েছেন এমবাপ্পে।প্রথম গোলে রোনালদো নাজারিওর পাশে বসার পর দ্বিতীয় গোল তাকে পেছনে ফেলে মিরোস্লাভ ক্লোসার কীর্তি স্পর্শ করেছেন। জার্মান কিংবদন্তির ১৬ গোলের কীর্তি ছুঁয়েছেন।ম্যাচের ১৪ মিনিটে করা এমবাপ্পের গোলটি ছিল অবিশ্বাস্য। বিশ্বাস না হলে ২০ গজ দূর থেকে বাঁ পায়ে করা তার গোলটি একবার হাইলাইটস দেখলেই বুঝতে পারবেন।বাঁকানো শটটি যতই দেখবেন ততই মুগ্ধ হবেন। গোলটির এমনি শক্তি।ফ্রান্সের হয়ে ১০০তম ম্যাচ রাঙানোর জন্য আর কি-ই-বা লাগে। তার গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ইরাকের বিপক্ষে বিরতিতে যায় ফ্রান্স। ৪১ মিনিটে জোড়া গোল পেতে পারতেন এমবাপ্পে।শরীরকে দারুণভাবে স্পিন করিয়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে বক্সে ঢুকেছিলেন তিনি। তবে শট নেওয়ার মুহূর্তে হুসেইন আলি স্লাইড দিয়ে বলকে থামালে আর গোলটি পাওয়া হয়নি এমবাপ্পের।দলকে লিড এনে দেওয়া গোলে একটা কীর্তি গড়েছেন এমবাপ্পে। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় রোনালদো নাজারিওকে ছুঁয়েছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক। ইরাকের বিপক্ষে করা তার প্রথম গোলটি বিশ্বকাপে ১৫তম। সমান গোল ব্রাজিল কিংবদন্তিরও। বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে প্রায় ২ ঘণ্টা পর ফ্রান্স-ইরাক ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হয়। ম্যাচ শুরু হতেই দ্বিতীয় গোলের দেখা পান এমবাপ্পে। ফ্রান্সের অধিনায়ক গোলটা অনেকটা উপহারই পান প্রতিপক্ষ ইরাকের কাছ থেকে।

৫৪ মিনিটে ডিফেন্ডার আহমেদ কাসেম গোলরক্ষক বাসিলকে বল দিলে, তা ধরতে না পারায় উসমাল দেম্বেলের পায়ে যায়। বক্সের মধ্যে থেকে ফাঁকা পোস্টে বল জালে জড়াতে ভুল করলেন না এমবাপ্পে।