
হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায় ছবিতে ফের শোনা গেল, চুনারি চুনারি। ১৯৯৯ সালের,বিবি নম্বর ওয়ান ছবির এই গান কার্যতই কাল্ট হয়ে গিয়েছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
সলমন খান ও সুস্মিতা সেনের পারফরম্যান্স মনে গেঁথে গিয়েছে দর্শকদের।সাতাশ বছর বাদে সেই গানেই কোমর দোলালেন বরুণ ধাওয়ান, পূজা হেগড়ে ও ম্রুণাল ঠাকুর।কিন্তু নেটপাড়ায় এই নতুন ,চুনারি চুনারি ঘিরে নিন্দার ঝড়। অনেকের মতে, সলমন-সুস্মিতার ম্যাজিকের এক শতাংশও নতুন করে তৈরি করতে পারেননি বরুণরা।জানা গিয়েছে, নতুন গানটির কোরিওগ্রাফির দায়িত্বে ছিলেন রেমো ডি’সুজা। বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার কী করে এমন গানের সঙ্গে জড়ালেন তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। গান দেখে এক নেটিজেন লিখছেন, এত গোলমাল করে ফেলাটা নিশ্চয়ই অবিশ্বাস্য রকমের কঠিন ছিল। আরেকজনের মত, কাল্ট গানটিকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।মূল গানটার ১ শতাংশ ধারেকাছেও পৌঁছয়নি। অন্য এক নেটিজেন লিখেছেন, এরা কেন সব সময় আসল গানগুলিকে এভাবে বিকৃত করে ফেলে?আরেকজন মনে করিয়ে দিয়েছেন, ইউটিউবে গানটির কমেন্ট সেকশনে ৯০ শতাংশই জানিয়েছেন, আসল গানটির ধারেকাছেও যেতে পারেনি এই গানটি। প্রসঙ্গত, এর আগেও একাধিক বিখ্যাত গানের রিমেকে কোমর দুলিয়েছেন ডেভিড ধাওয়ানের পুত্র। যার মধ্যে সলমনেরই চলতি হ্যায় ক্যায়া ন সে বারা, কিংবা উঁচি হ্যায় বিল্ডিং-ও রয়েছে। সেগুলি নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। এবার নতুন এক রিমেকেও অস্বস্তিতে পড়লেন ভেড়িয়া অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান । ক দিন আগে বরুণের বাবা ডেভিড ধাওয়ানকে নিয়ে এক অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সলমনও। সেদিনই দর্শকদের উদ্দেশে রসিকতা করে ভাইজান বলেন, আমার আরও একটি গান তুলে নিয়েছে। এই খুনসুটিপূর্ণ মন্তব্যে বরুণ লজ্জায় রাঙা হয়ে ওঠেন এবং হাসিতে ফেটে পড়েন।সলমন অবশ্য থামেননি।
বরং হাসতে হাসতে বলেন, ভাই, ছেড়ে দে না। এখন দেখার, নতুন রিমেকটি দেখে বলিউডের সুপারস্টার সলমন খান নতুন কোনও মন্তব্য করেন কিনা।








