
গত কয়েক দশকে পাঠ্যবই সরিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট তুলে দিতে প্রায় ৩ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করেছে আমেরিকা। তবে এ প্রযুক্তিগত পরীক্ষার ফলাফল হয়েছে ভয়াবহ।
বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা তাদের মা-বাবাদের তুলনায় কম মেধাবী ও মানসিকভাবে কম দক্ষ হয়ে গড়ে উঠছে।বিভিন্ন গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ মোটা অংকের বিনিয়োগ শেষ পর্যন্ত এক মেধাহীন প্রজন্ম তৈরির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা এক ,ভয়াবহ ব্যর্থ পরীক্ষা। আমেরিকার প্রথম অঙ্গরাজ্য হিসেবে ২০০২ সালে নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ল্যাপটপ প্রোগ্রাম চালু করে মেইন। তৎকালীন গভর্নর অ্যাঙ্গাস কিং এ প্রোগ্রামটিকে শিশুদের হাতের নাগালে ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার এক মাধ্যম হিসেবে দেখেছিলেন, যাতে তথ্যের বিশাল ভাণ্ডারে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে পারে শিশুরা।ওই বছর শরতের মধ্যে মেইন লার্নিং টেকনোলজি ইনিশিয়েটিভ-এর আওতায় ২৪৩টি মিডল স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৭ হাজার অ্যাপল ল্যাপটপ দেওয়া হয়।২০১৬ সালের মধ্যে শিক্ষার্থীদেরকে মোট ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট দেওয়ার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৬ হাজারে।গভর্নর কিং-এর সেই শুরুর দিকের উদ্যোগের প্রতিফলন পরবর্তীতে পুরো দেশজুড়েই দেখা গেছে। ২০২৪ সাল নাগাদ বিভিন্ন স্কুলে ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট সরবরাহের পেছনে ৩ হাজার কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করেছে আমেরিকা।
তবে প্রযুক্তির বিবর্তন ও দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময় পার হওয়ার পর কিংয়ের প্রত্যাশার চেয়ে ভিন্ন এক ফলাফল দেখতে পাচ্ছেন মনোবিজ্ঞানী ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা। প্রজন্মকে অনেক তথ্যের সুযোগ দিয়ে শক্তিশালী করার বদলে এ প্রযুক্তির প্রভাব হয়েছে ঠিক উল্টো।








