
ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে গুলির ঘটনায় গ্রিন কার্ড লটারি কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সচিব ক্রিস্টি নোম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।উল্লেখ্য ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন ছিলেন পর্তুগালের নাগরিক ক্লদিও নেভেস ভালেন্তে। তার বয়স ছিল ৪৮ বছর। তিনি ২০১৭ সালে ডাইভার্সিটি ভিসা লটারি কর্মসূচির মাধ্যমে আমেরিকায় প্রবেশ করেন। পরে তিনি গ্রিন কার্ড পান। নতুন সিদ্ধান্তের জন্য ফলে এই সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।তবে কংগ্রেসের মাধ্যমে চালু হওয়া এই কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে ধারণা করছেন অনেকে।হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্টে বলেছেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে, তিনি আমেরিকার নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবাগুলিকে এই প্রোগ্রামটি স্থগিত করার নির্দেশ দিচ্ছেন। ক্লদিও নেভেসকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেছেন, এই জঘন্য ব্যক্তিকে কখনই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল না। এদিকে ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী নিহত এবং ন’জন আহত হন। এছাড়া এমআইটির এক অধ্যাপককেও হত্যার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় কর্তারা জানিয়েছেন, তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মৃত পাওয়া যায়। উল্লেখ্য চলতি বছরে ভিসা লটারির জন্য প্রায় দু’ কোটি মানুষ আবেদন করেছিলেন। বিজয়ীদের জীবনসঙ্গীদের অন্তর্ভুক্ত করে মোট ১ লাখ ৩১ হাজারের বেশি আবেদনকারী নির্বাচিত হন। লটারি জয়ের পর আমেরিকায় প্রবেশের আগে তাদের কঠোর নিরাপত্তা যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
পর্তুগালের নাগরিকরা এবছর মাত্র ৩৮টি ভিসা লাভ করেন।প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ডাইভারসিটি ভিসা লটারির বিরোধিতা করে আসছেন।
