
কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা, দিনভর অশান্তির মধ্যে অধিকারী গড় বলে পরিচিত কাঁথিতে সমবায় নির্বাচনে কার্যত সবুজ ঝড়। ১০৮ আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে গিয়েছে ১০১টি আসন, মাত্র ৬ টি আসন পেয়েছে বিজেপি। একটি আসন গিয়েছে নির্দলের দখলে।
কাঁথির ফলে উচ্ছসিত তৃণমূল বিধায়ক অখিল গিরি বলেছেন শুধু কাঁথি নয়, সবকটি বুথেই খাতা খুলতে ব্যর্থ হয়েছে বিজেপি। মানুষ একচেটিয়াভাবে বিজেপিকে বহিষ্কার করেছে। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর ভাই তথা বিজেপি নেতা দিব্যেন্দু অধিকারী ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাঁর কথায় পশ্চিমবঙ্গের কোথাও স্বাভাবিকভাবে নির্বাচন হয় না। মানুষ নিজের মতামত জানানোর সুযোগ পায় না। তা কাঁথি সমবায় নির্বাচনেও স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কে ভোটেও আটকানো গেল না অশান্তি। বেলা গড়াতেই হেঁড়িয়া, কোলাঘাট সহ দিকে দিকে অশান্তি শুরু হয়। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রামনগরে হাতাহাতিতে জড়ায় বিজেপি-তৃণমূল। প্রতিবাদ করায় বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরেই ভোট বয়কটের ডাক দিয়ে পথ অবরোধ শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিশ গিয়ে অবরোধ তুলতে গেলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ভোটার স্লিপ কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বাধা দিলে তৃণমূলের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এই সমবায়ের ভোট শেষ হয়েছিল ২০১৫-য়।
তখন চেয়ারম্যান ছিলেন শুভেন্দু অধিকারি। এই সমবায়ে পরিচালন সমিতির মেয়াদ শেষ হয় ২০২২-এ। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় ভেঙে দেওয়া হয় কাঁথি ব্যাঙ্কের পরিচালন সমিতি। মামলার কারণে এতদিন স্থগিত ছিল সমবায় নির্বাচন।








