
রাজ্যে গুলেন বেরি সিনড্রোমে পরপর মৃত্যুতে উদ্বেগ বাড়ছে। হুগলির ধনেখালিতে জিবি সিনড্রোমের উপসর্গ থাকা এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসার পথে মৃত্যু হয়েছে সতীনাথ লোহার নামে বছর ৪৮-র এক ব্যক্তির। বুধবার সকালে এক বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়েছিলেন। সেখানে জিবি সিনড্রোমের উপসর্গ দেখে তাঁকে কলকাতায় হাসপাতালে রেফার করেন। এরপরেই কলকাতার আসার পথে মৃত্যু হয় সতীনাথ লোহারের। এর আগে মঙ্গলবার এনআরএ হাসপাতালে আমডাঙার বাসিন্দা ক্লাস টুয়েলভের ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে গুলেন বেরি সিনড্রোমে। ডেথ সার্টিফিকেটেও সেপটিক শক, গুলেন বেরি সিনড্রোমের উল্লেখ ছিল। জগদ্দলের বাসিন্দা বছর ১০-র দেবকুমার সাউ নামে এক নাবালকেরও মৃত্যুর খবর মিলেছে বিসি রায় হাসপাতালে। ২৬ জানুয়ারি ওই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে বিসি রায় শিশু হাসপাতালে। স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গ অসাড় হয়ে পড়ায় বিসি রায় শিশু হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে চিকিৎসা চলছিল দেবকুমার সাউ-র। বিসি রায় হাসপাতালে আরও দুই শিশু জিবি সিনড্রোম নিয়ে ভর্তি রয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জিবি সিনড্রোমের থাবা উত্তরবঙ্গেও। কোচবিহারের দুর্গাবাড়ির বাসিন্দা বছর চারের শিশুও গুলেন বেরি সিনড্রোম নিয়ে শিলিগুড়ির এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
এদিকে রাজ্যে কতজন জিবি সিনড্রোমে আক্রান্তের সংখ্যা কত, চিকিৎসা পরিকাঠামো কী পর্যায়ে রয়েছে। তা জানতেই স্বাস্থ্যভবনে জরুরি বৈঠক হয়েছে।



