গেম ডাউনলোডে ক্রিপ্টোমাইনিংয়ের শিকার

0
11

গেমাররা গেম ডাউনলোড করে গোপনে হ্যাকারদের ক্রিপ্টোমাইনিংয়ে সাহায্য করছেন বলে জানা গেছে সম্প্রতি। যে গেমগুলো বিনামূল্যে ডাউনলোড করা সম্ভব হচ্ছে এর অনেকগুলোতেই ম্যালওয়্যার আকারে দেওয়া আছে ক্রিপ্টোমাইনিংয়ের কোড।

গ্র্যান্ড থেফট অটো ৫, এনবিএন ২কে১৯ এবং প্রো এডিশন সকার ২০১৮-এর মতো গেমগুলো বিনামূল্যে মিলছে বিভিন্ন ফোরামে।কিন্তু এই গেমগুলির কোডের ভিতরে লুকানো রয়েছে ক্রিপ্টো-মাইনিং ম্যালওয়্যারের একটি অংশ যার নাম ক্র্যাকোনশ। গেমটি ডাউনলোড হয়ে গেলে ওই কোড গোপনে ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিং করে।গবেষকরা বলছেন, অপরাধীরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে অন্তত দু’ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে।অ্যাভাস্টের গবেষকরা বলছেন, ক্র্যাক করা এই গেমগুলি দ্রুত ক্র্যাকোনশ ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং সাইবার নিরাপত্তা সফটওয়্যার সংস্থাটি এখন প্রতিদিন কম্পিউটারে গড়ে প্রায় আটশ’ ঘটনা শনাক্ত করছে।অ্যাভাস্ট যেহেতু কেবল এর অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করা পিসিতে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার শনাক্ত করে, তাই ক্র্যাকোনোশের প্রকৃত প্রভাব অনেক বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।এখন পর্যন্ত এক ডজনেরও বেশি দেশে এই ম্যালওয়্যারের খোঁজ মিলেছে। এর মধ্যে,ফিলিপিন্সে ১৮ হাজার ৪৪৮ জন, ব্রাজিলে ১৬ হাজার ৫৮৪ জন, ভারতে ১৩ হাজার ৭৭৯ জন, পোল্যান্ডে ১২ হাজার ৭২৭ জন, আমেরিকায় ১১ হাজার ৮৫৬ জন এবং ব্রিটেনে আট হাজার ৯৪৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে অ্যাভাস্ট।বলা হচ্ছে,যখন ক্র্যাকোনশ ইনস্টল করা হয়, তখন এটি নিজেকে রক্ষা করার জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেয়। এর মধ্যে রয়েছে,উইন্ডোজ আপডেট থামিয়ে দেওয়া এবং সকল নিরাপত্তা সফটওয়্যার আনইনস্টল করে ফেলা।এরপর ডিভাইসে ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিং প্রোগ্রাম ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে মালিকের অজান্তেই।