চুলের যত্নে ‘বাটার’

0
188
ছবি সৌজন্যে : প্রতিনিধিত্বমূলক

বাটার, যা বাঙালির কাছে মাখন বলে পরিচিত। সেই বাটার ত্বকের নানা সমস্যার জন্যে উত্তম।

 

পাশাপাশি চুলচর্চায়ও এর উপকারিতা সম্পর্কে অরেকেরই জানা।বলা হয় বাটার চুলের বাড়ন্ত নিশ্চিতের পাশাপাশি চুলকে গভীর থেকে ময়েশ্চাররাইজড করে তোলে। তাই সিল্কি ও কোমল চুল পেতে বাটারের ব্যবহার হয়ে থাকে। মাথার ত্বকে সৃষ্ট রুক্ষতা এবং চামড়া ওঠা (খুশকি) ইত্যাদির যুতসই সমাধান দেয় বাটার। সোজা বা কোঁকড়া, চুল যাই হোক, চুল ময়েশ্চার এবং গোছা সুন্দর করে। অন্যদিকে ভিটামিন এ এবং ই সমৃদ্ধ বাটারের পাশাপাশি রয়েছে এসেনশিয়াল অ্যাসিড। যা মাথার ত্বককে করবে কোমল।রাখবে সুস্থ। চুলে শুষ্কতা দূর করে এবং চুলের ডগা ফাটা রোধ করতে এটি দারুণ কার্যকরী। এ ছাড়া এতে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। পাশাপাশি চুলকে মসৃণ করে এবং জট কমাতে সাহায্য করে। বাটারের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য এ সমস্যা সারিয়ে তোলে। লোমকূপ বন্ধ করে। তবে সরাসরি বাটার ব্যবহার ছাড়াও বাটার-সমৃদ্ধ প্রোডাক্টও সুন্দর চুল পেতে সাহায্য করে।বিশেষ করে কন্ডিশনার। কন্ডিশনার চুলের ফাইবার মজবুত করে, কিউটিকল মসৃণ করে তোলে। জট চুলের সুরাহাও মেলে। আর তা যদি হয় বাটার সমৃদ্ধ, তাহলে এর কার্যকারিতা আরও বেড়ে যায়। এছাড়া বাটার ব্যবহারে চুল সূর্যের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়। সব ধরনের দূষণের বিরুদ্ধে এটি চুলের ওপর একটি সুরা প্রলেপ তৈরি করে। ভিটামিন ও খনিজে পূর্ণ শিয়া বাটার সূর্যের তীক্ষ্ণ রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়। এই অবস্থায়,চুল কন্ডিশন করতে দু’ টেবিল চামচ বাটার গলিয়ে নিয়ে তাতে আধ কাপ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। ঠান্ডা হতে সময় দিন।খেয়াল রাখুন যাতে মিশ্রণটি জমে না যায়। এবার ই-ক্যাপসুল মিশিয়ে নিন। ঘন হয়ে এলে ব্যবহার করুন। মিশ্রণটি এয়ার টাইট বোতলে সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন।উপরন্তু বাটার কেয়ার সপ্তাহে দু’-তিন দিন ব্যবহারেই খুশকি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।এ ছাড়া হাফ কাপ বাটার, চার ভাগের এক কাপ অলিভ অয়েল হালকা আঁচে গলিয়ে নিন।তবে এটি কোনোভাবেই ফুটিয়ে নেওয়া যাবে না। গলে গেলে একটি বাটিতে নিয়ে সামান্য জমে যেতে দিন।

 

এরপর এতে অলিভ অয়েল দিয়ে ফেটাতে থাকুন, যতক্ষণ না এতে স্ট্রং ক্রিমি ভাব আসে। শুকনো বা ভেজা চুলে এটি লাগিয়ে নিতে পারেন।