
বছরের আর পাঁচটা সময়ের তুলনায় শীতকালে জল খাওয়া কমিয়ে দেন অনেকে। কেউ জেনে ভুলটা করেন, কেউ আবার অজান্তেই জল কম খান।
শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল না গেলে ডিহাইড্রেশনের আশঙ্কা থাকে।দীর্ঘ দিন কম জল খেতে থাকলে তার প্রভাব পড়া শুরু করে শরীরের উপর। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমরা সেগুলি বুঝতে পারি না। আপনি যে জল কম খাচ্ছেন, শরীর কিন্তু বেশ কিছু লক্ষণের মাধ্যমে আমাদের তা জানান দেয়। যেমন ধরুন, শীতকালে এমনিতেই ত্বক রুক্ষ থাকে। তার উপর যদি শরীরে জলের ঘাটতি হয়, তা হলে এই সমস্যা অনেক বেড়ে যায়। তখন ত্বক শুকিয়ে যায়। ঠোঁট, গোড়ালি ফাটতে শুরু করে। শুধু ত্বকেই নয়, ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ ধরা পরে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে।আসলে ডিহাইড্রেশন হলে শরীরের মাংসপেশিগুলিতেও জল পৌঁছয় না। তাই চট করে হাত-পায়ে টান লেগে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। হাঁটতে গেলে বা দৌড়তে গেলে কিংবা ওঠাবসার সময়ে কি প্রায়ই টান লাগছে? তা হলে কিন্তু জল খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে। আবার দীর্ঘ দিন শরীরের জল কম গেলে লিভার ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। লিভার জলের সাহায্যে গ্লাইকোজেন তৈরি করে, যা শক্তি জোগায়। কিন্তু সেটা ঠিক মতো না হলে শরীরের আরও বেশি খাবারের প্রয়োজন হবে। তাই নোনতা স্ন্যাকস, চকোলেট, মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।পাশাপাশি, প্রস্রাবের রং দেখেও শরীরে জলের ঘাটতির কথা টের পাওয়া যায়। তাই শীতে গাঢ় রঙের প্রস্রাব হলে সতর্ক হোন, এটি শরীরে জলের ঘাটতির উপসর্গ হতে পারে।এদিকে মাইগ্রেনের ব্যথা অনেক সময় ডিহাইড্রেশন থেকেই শুরু হয়। তাই সারা ক্ষণ মাথা ধরে থাকলে বড় এক গ্লাস জল খান।এর বাইরে মুখের লালায় অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণ থাকে।
কিন্তু শরীরে জল কম গেলে বেশি লালা তৈরি হয় না এবং মুখে ব্যাক্টেরিয়া বেড়ে যায়। তা থেকেই মুখে দুর্গন্ধ তৈরি হয়।









