
মান্থার তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে অন্ধ্র ও ওড়িশা জুড়ে। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোম্বার প্রভাবে সে রাজ্যে প্রায় এক লক্ষ ৭৬ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।
দক্ষিণ-মধ্য বেলে বাতিল হয়েছে অন্তত ১২২টি ট্রেন। বহু ট্রেনের সময়সূচিতেও পরিবর্তন করা হয়েছে। ঝড়ে গাছ পড়ে অন্ধ্রের কোনাসিমা জেলার মাকানাগুড়েম গ্রামে মৃত্যু হয়েছে এক মহিলার। এছাড়াও মৃত্যু হয়েছে আরও ২ জনের। এ পর্যন্ত ৭৬ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গড়া হয়েছে ২১৯টি স্বাস্থ্যশিবির। মান্থার প্রভাব পড়েছে ওড়িশাতেও। রাতভর ভারী বৃষ্টিতে দক্ষিণ ওড়িশার বেশ কিছু জায়গায় ধস নেমেছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বেশি অনুভূত হয়েছে মালাকানগিরি, কোরাপুট, রায়গড়, গজপতি, গঞ্জাম, কান্ধামাল, কালাহান্ডি এবং নবরংপুর জেলায়। তবে সব মিলিয়ে ওড়িশার অন্তত ১৫টি জেলায় কমবেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একাধিক জায়গায় ধস নেমে বন্ধ হয়ে গিয়েছে রাস্তা। কোথাও উপড়ে গিয়েছে গাছ, ভেঙেছে ঘরবাড়ি। গজপতি জেলার মোহানায় একটি মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ে এক জন গুরুতর জখম হয়েছেন। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় রাজ্যে ২০০০টিরও বেশি আশ্রয়শিবির তৈরি করা হয়েছে।
এনডিআরএফ, ওডিআরএএফ এবং দমকল মিলিয়ে মোট ১৫৩টি উদ্ধারকারী দলকে মোতায়েন করা হয়েছে। ন’টি জেলায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল কলেজ।
