
আদানি শিল্পগোষ্ঠীর বিদেশে সরানো টাকায় অংশীদারিত্ব ছিল সেবির চেয়ারম্যান স্বয়ং। ফের এমনই অভিযোগ তুলেছে আমেরিকার বেসরকারি সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ।
এর আগে শিল্পপতি গৌতম আদানির বিরুদ্ধে শেয়ারদর ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখানোর অভিযোগ তুলেছিল হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ।শনিবার সকালেই হিন্ডেনবার্গ ইঙ্গিত দিয়েছিল, তারা এমন একটি তথ্য প্রকাশ্যে আনতে চলেছে, যা বিস্ফোরক হবে।এরপর বেশি রাতে হিন্ডেনবার্গ তাদের সংস্থার এক্স হ্যান্ডল থেকে হ্যান্ডলে পোস্ট করে লিখেছে, আদানিরা যে টাকা সরিয়েছে তাতে অংশিদারিত্ব রয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা সেবির প্রধানের।আর হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ এই পোস্ট করতেই জাতীয় রাজনীতিতে কার্যত আলোড়ন পড়ে গিয়েছে।সেবি প্রধান মাধবী পুরী বুচের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। মহুয়া মৈত্র থেকে সুস্মিতা দেব, সাকেত গোখলে সকলেই সেবির বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা এই প্রশ্নও তুলছেন, বুথফেরত সমীক্ষায় দুর্নীতি সংক্রান্ত যে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, সেবির কাছে তদন্তের আর্জি জানানো হয়েছিল, এই জন্যই কি তারা তদন্তের পথে অগ্রসর হয়নি।উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের প্রাক্পর্বে হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে তোলপাড় হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং শিল্পপতি আদানির সখ্যতা তুলে ধরে বিরোধীরা আভিযোগ করেছিল, সবটাই হচ্ছে বোঝাপড়ার ভিত্তিতে। পাল্টা বিজেপির তরফে হিন্ডেনবার্গের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।








