পারমাণবিক ফিউশন রকেটে ইতিহাস

0
45
ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল 

প্রথমবারের মতো পারমাণবিক ফিউশন রকেটের ভেতরে প্লাজমা ইগনিশন বা অগ্নিসংযোগ ঘটাতে পেরে ইতিহাস গড়ল ব্রিটিশ বিজ্ঞানীদের একটি দল, যা মহাকাশ ভ্রমণের নতুন যুগের পথে বড় মাইলফলক। এ প্রযুক্তির সফল ব্যবহারে মঙ্গলে কেবল কয়েক সপ্তাহে পৌঁছানো যাবে, যা ভবিষ্যতের মহাকাশ ভ্রমণ ও অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে।

ব্লেচলেভিত্তিক কোম্পানি পালসার ফিউশন ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যামাজনের মার্স কনফারেন্স-এ সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে এ সাফল্য প্রদর্শন করেছে। বিষয়টিকে তাদের জন্য অসাধারণ মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন কোম্পানির সিইও রিচার্ড ডিনান।এই প্রথম প্লাজমা তৈরির জন্য বিদ্যুচ্চালিত ও চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের সংমিশ্রণ ব্যবহৃত হয়েছে, যা স্টার্টআপটির সানবার্ড নামের নিউক্লিয়ার ফিউশন একজস্ট টেস্ট সিস্টেমের ভেতর দিয়ে চার্জওয়ালা বিভিন্ন কণাকে চালিত করে।এ পরবর্তী প্রজন্মের প্রপালশন সিস্টেম বা চালিকাশক্তির কার্যসক্ষমতা বাড়াতে আরও পরীক্ষানিরীক্ষা ও আধুনিকায়নের পরিকল্পনা করেছে পালসার।পারমাণবিক ফিউশন সূর্যের ভেতরে ঘটা প্রাকৃতিক বিক্রিয়ার অনুকরণে কাজ করে, যা প্রায় অসীম শক্তি উৎপাদন করতে পারে। অনেকে একে পরিবেশবান্ধব শক্তির হলি গ্রেইল হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।

ওদিকে শক্তিশালী চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের মধ্যে প্রচণ্ড উত্তপ্ত প্লাজমাকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন কাজ। তবে পৃথিবীর তুলনায় মহাকাশের প্রচণ্ড ঠান্ডা তাপমাত্রা ও বায়ুশূন্য পরিবেশ এ কাজটি অনেক সহজ করে তুলতে পারে।