
নানা কারণে হাঁচি হতে পারে। প্রায় সময় দেখা যায়, অনেকের হাঁচি একবার শুরু হলে আর থামতেই চায় না।
বেশিরভাগ সময় ঠাণ্ডা বা অ্যালার্জির কারণে এমনটা হয়। কখনো আবার ধুলোবালি থেকে।তবে একটানা হাঁচি আসতে শুরু করলে তা যেমন বিরক্তিকর,তেমন অস্বস্তিকরও বটে।হাঁচি আসলে একটি স্বাভাবিকক্রিয়া।নাকের মধ্যে কোনো ধরনের বাহ্যিক পদার্থ প্রবেশ করলে নাসিকাগহ্বরে থাকা স্নায়ুগুলো মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়।মস্তিষ্ক সেই সংকেত অনুযায়ী শ্বাস যন্ত্রের পেশীগুলোকে সংকুচিত করার নির্দেশ দেয়।একেই সাধারণ ভাষায় আমরা হাঁচি বলি।এদিকে পরাগ, ধুলো, পশুর লোম বা খাদ্যের অ্যালার্জির মতো নানা কারণে হাঁচি হতে পারে।হাঁচি বেশি হলে সঙ্গে সঙ্গে হয়ত ওষুধ খেতে হয়।এদিকে একবার অ্যান্টি অ্যালার্জি ওষুধ খেলেই শুরু হয় ঘুম ঘুম ভাব।এ ক্ষেত্রে ঘরোয়া টোটকা কাজে লাগাতে পারেন। তবে কখনও কখনও একটানা হাঁচি হওয়া গভীর রোগের বাহ্যিক উপসর্গ হতে পারে। তাই বেশি অসুবিধা হলে একবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।এই অবস্থায়,এক চামচ মধু সরাসরি বা গরম জলেতে মিশিয়ে পান করতে পারে। এতে রয়েছে, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল, যা হাঁচি কমাতে সাহায্য করতে পারে।এরপর সাহায্য নিতে পারেন আদার। আদার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি, যা নাকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। হাঁচি কমাতে পান করতে পারেন আদা চা বা এক টুকরো আদা চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন। অন্যদিকে,ইউক্যালিপটাস গাছ থেকে পাওয়া তেল গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশির জন্য বেশ উপকারি।এ ছাড়া অ্যান্টিসেপটিক সুগন্ধী তৈরি করতেও ব্যবহার হয়।ইউক্যালিপটাসকে বলা হয় রাক্ষুসে গাছ। এটি যেখানে আছে তার আশপাশের গাছগুলো বেঁচে থাকার পুষ্টি সহজে পায় না। বাজারে পেয়ে যাবেন এ তেল। শ্বাসরন্ধ্রের নানা অসুবিধা দূর করে ইউক্যালিপটাসের তেল।এর অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টিভাইরাল গুণাবলী হাঁচি কমাতে সাহায্য করে। গরম জলেতে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল দিয়ে ভাপ নিলে উপকার পাওয়া যায়।
এ ছাড়া কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেল রুমালে নিয়ে শুঁকলেও হাঁচির ক্ষেত্রে উপকার পাবেন। বুকে কফ জমা, নাক দিয়ে অনবরত জল পড়া, গলা ব্যথা, নাক বন্ধ থাকা, ব্রঙ্কাইটিস ও সাইনোসাইটিসের সমস্যায় এ তেল খুবই কাজের।








