
চপার ভেঙে মৃত্যু হল ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসির।মারা গিয়েছেন চপারে রইসির সহযাত্রী তথা সে দেশের বিদেশমন্ত্রী হোসেন আমিরাবদোল্লাহিয়ানও।
ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থার তরফে দু’জনের মৃত্যুর খবর এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবা জানানো না হলেও, সে দেশের প্রশাসনিক আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে এই খবর জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা l ইরান প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসির বেঁচে থাকার আশা আরও ক্ষীণ হয়েছে।কারণ ইরানের প্রেসিডেন্টের ভেঙে পড়া কপ্টারটি পাওয়া গেলেও সেখানে জীবিত কাউকে এখনও দেখা যায়নি। তেমনটাই জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম। ফলে কপ্টারে যাঁরা ছিলেন, তাঁরা কেউ বেঁচে নেই বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসি যে কপ্টারে ছিলেন, সেটি পাওয়া গিয়েছে। দুর্ঘটনাস্থলের ছবিও প্রকাশে এসেছে। তাতে দেখা গিয়েছে, কুয়াশাঘেরা পাহাড়ের বুকে কপ্টার, একাধিক গাড়ি ঘোরাফেরা করছে। পায়ে হেঁটে দুর্ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। ভেঙে পড়া কপ্টারটির অবস্থা শোচনীয়। সেটি দুর্ঘটনার অভিঘাতে তুবড়ে গিয়েছে। তাতে আগুনও ধরে গিয়েছিল। বর্তমানে পোড়া অবস্থায় রয়েছে একাধিক অংশ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কপ্টারের কেবিন।ইবাহিম রইসির কপ্টারে ছিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী হোসেন আমিরাবদোল্লাহিয়ান। তাঁরা আজ়ারবাইজান সীমান্তের কাছে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটে। তল্লাশি অভিযানে রাতেই সেনাবাহিনী নামিয়ে দিয়েছিল ইরান। পায়ে হেঁটে কুয়াশাঢাকা দুর্গম পাহাড়ে তারা কপ্টারের খোঁজ করেছে। আবহাওয়ার প্রতিকূলতায় উদ্ধারকাজে সমস্যা হয়েছে। তবে সোমবার সকালে অবশেষে কপ্টারের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। তুরস্কের ড্রোনের সাহায্যে পাহাড়ের মাঝে জ্বলন্ত কিছু লক্ষ্য করা গিয়েছিল। সেখানে পৌঁছন উদ্ধারকারীরা।এদিকে, ইতিমধ্যে আরবীয় মালভূমির দেশগুলি দুর্ঘটনার খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চিনও। উদ্ধারকাজে তারা সাহায্যের ইচ্ছাপ্রকাশও করে।









