
হরমুজ প্রণালীতে ক্রমবর্ধমান সংকটে বাড়তে পারে বিশ্বব্যাপী ক্ষুধার প্রকোপ। এমনকি বিশ্বকে মন্দার দিকেও ঠেলে দিতে পারে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন। মহাসচিব বলেছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতির শ্বাস রোধ হচ্ছে।
গুতেরেস এই প্রণালির মধ্য দিয়ে অবাধ চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ পথটি তেল, গ্যাস, সার এবং অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের সরবরাহকে বাধাগ্রস্ত করছে। জাহাজ চলাচল ও বাণিজ্যের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে তুলে নেওয়া হলেও সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক হতে কয়েক মাস সময় লাগবে।
ফলে নিম্ন অর্থনৈতিক উৎপাদন এবং উচ্চমূল্য অনেক সময় ধরে থাকতে পারে। একইসঙ্গে,মহামারি এবং ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় এখনো বিপর্যস্ত বিশ্বের জন্য তিনটি সম্ভাব্য গতিপথ তুলে ধরে গুতেরেস বলেছেন, সবচেয়ে ভালো পরিস্থিতিতেও বিশ্বজুড়ে প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশ থেকে কমে ৩.১ শতাংশে নেমে আসবে, মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে ৪.৪ শতাংশ হবে এবং বাণিজ্য তীব্রভাবে হ্রাস পাবে। তিনি আরো বলেছেন,যদি ইরানের হামলা ও হুমকি এবং বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধের কারণে সৃষ্ট অচলাবস্থা বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলতে থাকে, তবে এর পরিণতি আরো গুরুতর হবে।








