
দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায় বাজি তৈরির কারখানায় ভয়বাহ বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সবুজ বাজি কারখানার আড়ালে বোমার কারবার চলত এখানে।
এই ঘটনা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন স্থানীয়রা। সোমবার রাতে পর পর বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাট থানা এলাকার দক্ষিণ রায়পুরের তৃতীয় ঘেরি এলাকা। বিস্ফোরণের তীব্রতায় বাড়ির আসবাবপত্র ছিটকে চলে যায় দূরের মাঠে। জানলার গ্রিল, বাড়ির ছাদ, দেওয়াল পর্যন্ত উড়ে যায়। দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর থেকে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে চাপা অসন্তোষ দেখা গিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছোনোর আগে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছিলেন এলাকাবাসীরাই। তবে আগুনের তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে কেউই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা বাড়ির ভেতরে থাকা মানুষদের বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন গ্রামবাসীরা। এলাকাবাসীদের একাংশের অভিযোগ, ওই বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ বাজি তৈরি হচ্ছিল। স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিরা তা বন্ধ করতে কোনও পদক্ষেপ করেননি বলে অভিযোগ। ওই বাড়িতে বাজির ব্যবসার জন্য এলাকায় বাইরের কারিগরদেরও যাতায়াত ছিল বলে দাবি তাঁদের।
সোমবারের এই দুর্ঘটনার জন্য প্রশাসনের ‘উদাসীনতা’ এবং পুলিশের গাফিলতি’র দিকেই আঙুল তুলছেন গ্রামবাসীদের একাংশ।। স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সমীর কুমার জানার দাবি, বাজি তৈরির সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। পুরো বাড়িতে আগুন ধরে যায়।
