
আলিয়া ভাট,প্রায় সময়েই কটাক্ষের শিকার হয়েছেন। তবে সব বিতর্ক ছাপিয়ে এখন তিনি যেন অনেকটাই পরিণত।সে প্রমাণ সিনেপর্দায় আগেই দিয়েছেন। এবার বাস্তবজীবনেও বুদ্ধিমত্তার প্রমাণ দিলেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেটে আরেকটু হলে পোশাক বিভ্রাটের শিকার হতে হতো, তবে বুদ্ধি খাটিয়ে তৎক্ষণাৎ যেভাবে পরিস্থিতির সামাল দেন আলিয়া, তাতে অভিনেত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ফ্যান ফলোয়ার তো বটেই, এমনকি বলিপাড়ার সহকর্মীরাও।উল্লেখ্য,এক আন্তর্জাতিক প্রসাধনী সংস্থার বিজ্ঞাপনী দূত হিসেবে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে যোগ দিয়েছিলেন আলিয়া ভাট। ফ্রেঞ্চ রিভেরাঁয় মোট তিনটি লুকে ধরা দেন অভিনেত্রী। প্রথম দিনে প্যাস্টেল শেডের শিয়াপরেলি কালেকশনের বডিকন ড্রেসে চোখ ধাঁধিয়ে দেন।আবার কখনো বা রাতপার্টিতে তার পোশাকে ফুটে ওঠে নক্ষত্র সমাহার! আর সমাপ্তি অনুষ্ঠানের দিন গুচ্চি ব্র্যান্ডের তৈরি কাস্টমাইজড শাড়ি পরে ইতিহাস গড়ে ফেললেন কাপুরদের বউমা।কারণ,এই প্রথম সংশ্লিষ্ট সংস্থার তরফে শাড়ি তৈরি করা হলো।আর ধূসর রঙের জালবোনা সেই শাড়ি পরেই ফ্রেঞ্চ রিভেরাঁর লাল গালিচায় সব স্পটলাইট কেড়ে নিয়েছেন আলিয়া ভাট। সেদিনই ঘটেছে এক কাণ্ড,আলিয়া যখন রেড কার্পেটে দাঁড়িয়ে পাপারাৎসিদের ক্যামেরায় পোজ দিচ্ছেন, তখন হঠাৎই গলা থেকে পড়ে যাচ্ছিল তার বহুমূল্য মালাবার গোল্ডসের সোনা এবং হীরার নেকলেস।তবে বিন্দুমাত্র ইতঃস্তত বোধ না করে প্রায় সবার অগোচরেই আলতো করে ঘাড়ের কাছে হাত নিয়ে যান অভিনেত্রী।নেকলেসটিকে যথাস্থানে চেপে রেখে ঘাড়ে হাত দিয়ে পোজ দেন। আর সেই ছবিই এখন নেটভুবনে চর্চার শিরোনামে।প্রত্যুৎপন্নমতি আলিয়ার এমন উপস্থিত বুদ্ধি প্রশংসা কুড়িয়েছে নেটপাড়ায়। অনেকে আবার গয়না প্রস্তুতকারক সংস্থাকে কটাক্ষ করেছেন এমন ভঙ্গুর হার তৈরি করার জন্য।এদিকে ২০২৪ সালে মেট গালায় পা রেখে সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের পোশাকে হলিউডের স্পটলাইট কেড়ে নিয়েছিলেন আলিয়া ভাট।
এবার কানের ক্ষেত্রেও কেমন চমক দেবেন, সেদিকে চোখ ছিল সবার। তবে নিরাশ করেননি আলিয়া ভাট। প্রথমবার ফ্রেঞ্চ রিভেরাঁয় অভিষেক ঘটিয়েই পশ্চিমী বিনোদুনিয়ার স্পটলাইট কাড়লেন কাপুরবধূ,আলিয়া ভাট।








