হিরের ব্যাটারি, চলবে হাজার বছর

0
127
ছবি সৌজন্যে : ইনস্টাগ্রাম

বিশ্বে প্রথমবারের মতো হিরে দিয়ে ব্যাটারি তৈরি করেছেন বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়াররা। তাদের দাবি, এমন এক যুগান্তকারী শক্তির উৎস এই ব্যাটারি, যা হাজার হাজার বছর ধরে ডিভাইসকে শক্তি দিতে সক্ষম।

বিদ্যুৎ তৈরির জন্য এ উদ্ভাবনী ব্যাটারিতে রেডিওকার্বন ডেটিংয়ে ব্যবহৃত কার্বনের আইসোটোপ ,কার্বন-১৪ ব্যবহার করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিস্টল এবং ব্রিটেনের পরমাণু শক্তি কর্তৃপক্ষ বা ইউকেএইএ-এর বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়াররা। এর মধ্যে তেজস্ক্রিয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ব্যাটারির হিরের কাঠামোর ভেতরে বসানো হয়েছে কার্বন-১৪, যা এর তেজস্ক্রিয়া ক্ষয়ের মাধ্যমে শক্তি তৈরি করবে বলে লিখেছে বিজ্ঞানভিত্তিক সাইট নোরিজ।বিভিন্ন সৌর প্যানেল আলোকে যেভাবে বিদ্যুতে রূপান্তর করে এই প্রক্রিয়াটি ঠিক তেমনই। এখানে শক্তি তৈরিতে কার্বন-১৪ থেকে দ্রুত চলমান ইলেকট্রন ব্যবহার করবে হিরের তৈরি এই নতুন ব্যাটারি।বিজ্ঞানীরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদী এক শক্তির উৎস এটি, যা ক্রমাগত অল্প পরিমাণে শক্তি উৎপাদন করে যাবে। যেখানে ব্যাটারি পরিবর্তন করা কঠিন বা অসম্ভব এমন সব পরিস্থিতিতে এসব মাইক্রোপাওয়ার ধাঁচের ব্যাটারি হবে আদর্শ।চিকিৎসা ক্ষেত্রে, বিশেষ করে পেসমেকার, শ্রবণ সহায়ক ও চোখের ইমপ্লান্টের মতো ডিভাইসে ব্যবহার হতে পারে এসব ব্যাটারি। প্রচলিত ব্যাটারির বদলে হিরের তৈরি এসব ব্যাটারি রোগীদের আয়ু দীর্ঘায়িত করতে পারে। এসব ব্যাটারির ফলে মানুষের বারবার অস্ত্রোপচার করার প্রয়োজন কমে আসবে এবং রোগীরাও আরামবোধ করবেন।

 অন্যদিকে মহাকাশ অনুসন্ধানের বেলাতেও সহায়ক হতে পারে এসব ব্যাটারি। কারণ, ব্যাটারি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন ছাড়াই কয়েক দশক ধরে মহাকাশযান ও বিভিন্ন ট্র্যাকিং ডিভাইসকে শক্তি দেবে নতুন এই হিরে দিয়ে তৈরি ব্যাটারি।