
সোমবার বিকেলে প্রায় কথাই বলতে পারছিলেন না। গলাব্যথা, কাশি, জ্বর, নাক দিয়ে জল গড়াচ্ছে দাবি করে অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছিলেন, তেমন হলে মঙ্গলবার তিনি কোভিড পরীক্ষা করাবেন।
মঙ্গলবার বিকালে সেই অনুব্রতই জানিয়েছেন, তিনি সোমবারের তুলনায় ভাল আছেন। গলা ব্যথা অনেকটাই কমেছে গার্গল করে। যদিও কোভিড টেস্ট করাননি তিনি। তবে, থানায় আদেও তিনি হাজিরা দেবেন কি না, সেই বিষয়ে স্পষ্টত কিছু জানেননি। পুলিশের আধিকারিককে অনুব্রতের টেলিফোনে হুমকি দেওয়া অডিয়ো ক্লিপ ভাইরাল হতে শুরু করেছিল গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার কিছু পর থেকে। শুক্রবার সকালে অনুব্রত দাবি করেছিলেন, ভাইরাল হওয়া অডিয়োর ওই কণ্ঠস্বর তাঁর নয়। যদিও পরে দলের চাপে নিশঃর্তে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন অনুব্রত মণ্ডল। মেনে নেন, ওটি তাঁরই কণ্ঠ। শুক্রবার অনুব্রতকে নোটিস ধরিয়েছিল বীরভূম পুলিশ। তাতে বলা হয়েছিল, তাঁকে শনিবার বোলপুরের এসডিপিও দফতরে হাজিরা দিতে। তিনি যাননি। ফের শনিবার নোটিস দিয়ে বলা হয়, রবিবার হাজিরা দিতে। সে দিনও তিনি যাননি। বদলে দু’দিনই তাঁর আইনজীবীরা যান। প্রথম দিন পুলিশের হাতে তুলে দেন চিকিৎসকের মেডিক্যাল সার্টিফিকেট। যেখানে অনুব্রতকে পাঁচ দিন সম্পূর্ণ বিশ্রামের কথা লেখা ছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছিল। অনুব্রতের অসুস্থতা এবং চিকিৎসকের সেই সংক্রান্ত সার্টিফিকেট নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পুলিশ সূত্রের খবর, অনুব্রতের যে মেডিক্যাল রিপোর্ট তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, সেটি শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজের।
ওই মেডিক্যাল রিপোর্টে সই রয়েছে হিটলার চৌধুরী নামে এক চিকিৎসকের। ঘটনাচক্রে, রামপুরহাট ১-এর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের নামও হিটলার চৌধুরী।
