
ধুরন্ধর দ্য রিভেঞ্জ ছবির পরতে পরতে চমক রেখেছেন পরিচালক আদিত্য ধর। কখনও স্ক্রিনে ভেসে উঠেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নোটবন্দি কিংবা শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান,আবার কখনও বা সিনেমার চরিত্র নবাব শফিকের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছে দর্শকমহল।
এইমুহূর্তে ধুরন্ধর টু নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। বক্স অফিস থেকে সোশাল পাড়া সবই ধুরন্ধর’ময়। সিনেমার প্রতিটি দৃশ্য, প্রতিটি সংলাপ আতশ কাচে রেখে পরখ চালিয়ে যাচ্ছেন দর্শক-অনুরাগীরা। এবার চর্চায় ছবির বড়ে সাহাব চরিত্রটি। যার সঙ্গে দাউদ ইব্রাহিমের মিল খুঁজে পেয়েছে সিনেপাড়ার ওয়াকিবহালমহল। মুক্তির আগে থেকেই সিক্যুয়েলের বড়ে সাহাব চরিত্রটিকে নিয়ে দর্শকমনে কৌতূহল ছিল। অন্ধকারজগতের মূলচক্রী, নেপথ্যকাহিনি জানার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। প্রথমটায় শোনা গিয়েছিল,কাল্পনিক এক চরিত্রের আদলে এই ভূমিকায় সলমন খান কিংবা ইমরান হাসমি অভিনয় করেছেন।কিন্তু রিলিজের পরই খবর, বড়ে সাহাব-এর চরিত্রটি দাউদ ইব্রাহিমের আদলে সাজানো হয়েছে। আর সেখানেই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন তুলেছে দর্শকমহল। সত্তরোর্ধ্ব শয্যাশায়ী যে বৃদ্ধকে দেখানো হয়েছে, তার মুখের সঙ্গে দাউদের কীভাবে এতটা মিল থাকতে পারে? আসলে জনমানসে দাউদ ইব্রাহিমের যেসমস্ত ছবি রয়েছে, সেগুলি তার ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সের। আশির দশকের মাঝামাঝি ভারত থেকে দুবাইয়ে পালানোর পর দাউদ আর জনসমক্ষে আসেনি। আদৌ তাকে নিকেশ করা হয়েছে নাকি অপরাধ সাম্রাজ্যের কোথাও গা ঢাকা দিয়েছে?
সেসব তত্ত্ব নিয়ে আজও ধোঁয়াশা বহাল। বেঁচে থাকলে দাউদের বয়স সত্তরের কোঠায় থাকার কথা। এদিকে সিনেমায় দেখানো বড়ে সাহাব চরিত্রটিও সত্তরোর্ধ্ব। শয্যাশায়ী হলেও অপরাধ সাম্রাজ্যের অপারেশন চলে তার অঙ্গুলীহেলনে। তাহলে কি ধুরন্ধর দ্য রিভেঞ্জ-এ দেখানো চরিত্রটি আদতে দাউদ ইব্রাহিম, কৌতূহলের অন্ত নেই।








