
দিনে দু’বার দাঁত মাজেন অধিকাংশ মানুষই। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের খাদ্যাভ্যাস পাল্টাচ্ছে।
আর তার প্রভাব সবার আগে পড়ছে দাঁতেই। তাই এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বদলে ফেলতে হবে দাঁত মাজা,মুখ পরিষ্কার রাখার নিয়মও। সেজন্যে দিনে দু’বার করেই দাঁত মাজতে হবে। কিন্তু তারই সঙ্গে যুক্ত করতে হবে কয়েকটি বাড়তি নিয়ম। নয়তো আপনার ব্রাশিং রুটিনে আসলে লাভের বদলে ক্ষতি হবে বেশি।অন্যদিকে,অধিকাংশ মানুষই দাঁত মাজার সঠিক নিয়মটি জানেন না। ফলে নিয়ম করে দু’বার বা তিন বার দাঁত মাজলেও ক্ষয় রোধ করা যায় না। তাই কোন নিয়মটি মেনে চলা উচিত, সেটি জেনে নেওয়া দরকার। চিকিৎসকরা বলছেন,বেশির ভাগ মানুষই সঠিক নিয়ম জানেন না। দাঁতে ব্রাশ ঘষে নিয়ে পরিষ্কার হয়েছে কি না দেখে ছেড়ে দেন। কিন্তু তাতে লাভের লাভ কিছুই হয় না। এই অবস্থায়, দাঁত নয়, দাঁত এবং মাড়ির সংযোগস্থলে ব্রাশ করা উচিত।কারণ সেখানে জমে থাকে প্লাক, অর্থাৎ খাবারের অবশিষ্টাংশ। চিকিৎসক বলছেন, মাথায় রাখতে হবে, সেই জায়গাটা যেন পরিষ্কার হয়। মূল নজর থাকবে দাঁত এবং মাড়ির সংযোগস্থলেই।সেইসঙ্গে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়,উপর-নীচে ব্রাশ চালিয়ে দাঁত মাজেন অনেকে। সেটি ভুল। গোল গোল করে ব্রাশ ঘুরিয়ে দাঁত মাজতে হবে। যাঁরা প্রথম প্রথম এই নিয়মে দাঁত মাজা অভ্যাস করছেন, তাঁদের একসঙ্গে তিনটি দাঁতের উপর ব্রাশ রেখে গোল গোল করে মাজতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় সমস্ত দাঁত পরিষ্কার করতে ২-৩ মিনিট মতো সময় লাগার কথা।এর বাইরে ব্রাশ করার সময় নিয়েও প্রচুর ধন্দ থাকে অনেকের মনে। সাধারণত, ঘুম থেকে উঠে সকালে এক বার, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে এক বার দাঁত মাজা হয়। কিন্তু রাতে খাওয়ার পর পরই দাঁত মেজে শুতে যাওয়ার অভ্যাস আদপে খুবই খারাপ। তার কারণ, খাবার খাওয়ার পর সারা মুখে অ্যাসিড এবং ব্যাকটেরিয়া রাজত্ব করে। তাই আধ ঘণ্টা বা এক ঘণ্টার আগে দাঁত মাজলে তাতে ক্ষতিই হয়।আসলে তাতে দাঁতের এনামেল ক্ষয়ে যেতে থাকে। এছাড়া,মুখের ভিতরে এমন কিছু কোনা রয়েছে, যেখানে প্লাক জমে থাকে।
কিন্তু ব্রাশের পক্ষে অত দূর পৌঁছোনো সম্ভব নয়। মাড়ির শেষ প্রান্ত বা দুই দাঁতের মাঝখান, এ রকম জায়গাগুলি পরিষ্কার করার জন্য মাউথওয়াশ ব্যবহার করা উচিত।









