
অনেকসময় দেখা যায় সালোঁয় ফেশিয়াল করাতে গিয়েছেন, মুখে গরম জলের স্টিম বা বাষ্প নিতে হয়েছে। ক্লিনজ়ার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করার পর এক্সফোলিয়েট করানো হয়েছে।
তার পর স্টিমার মেশিনের সাহায্যে কিছু ক্ষণের জন্য মুখে গরম ভাপ দেওয়া হয়।আসলে এই প্রক্রিয়ায় ত্বকের উন্মুক্ত রন্ধ্র বা ছিদ্রের মুখ খুলে যায়। ত্বকের গভীরে জমা ধুলো-ময়লা পরিষ্কার করাও সহজ হয়। ত্বকের জেল্লাও ফিরে আসে। এখন প্রশ্ন হল মুখে ঠিক কত ক্ষণ পর্যন্ত স্টিম নেওয়া উচিত?বলা হচ্ছে স্টিম নেওয়ার নির্দিষ্ট পদ্ধতি এবং সময়কাল রয়েছে।উপকারের আশায় দীর্ঘ ক্ষণ ফুটন্ত জলের ভাপ নিয়ে গেলে উপকারের বদলে বরং ত্বকের ক্ষতিই হবে।আবার, ত্বকের ধরন না বুঝলেও বিপদ।কারণ তৈলাক্ত ত্বকে রোজ স্টিম নিলে মুখে হুড়মুড়িয়ে ব্রণ বেরিয়ে পড়তে পারে। তাই মুখে স্টিম নেওয়ার আগে এই দু’টি বিষয় জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। মুখে গরম জলের ভাপ নিলে রক্ত চলাচল ভাল হয়। পোর্সগুলি খুলে যায়। ফলে ক্রিম, ময়েশ্চারাইজ়ার ত্বকের গভীরে পৌঁছতে পারে। শুধু তা-ই নয়, শুষ্ক ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতেও সাহায্য করে।তবে প্রতিটি ত্বকের ধরন আলাদা। সেই বুঝে স্টিম নেওয়ার সময় নির্ধারণ করতে হয়। স্পর্শকাতর মুখে খুব বেশি ক্ষণ গরম জলের বাষ্প দিলে ত্বকের অস্বস্তি বেড়ে যেতে পারে। আবার, তৈলাক্ত ত্বকে কী ভাবে বাষ্প নিলে ব্রণের উপর প্রভাব পড়বে না, সেটিও জানতে হবে।অন্যদিকে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে কোলাজেনের পরিমাণ কমতে থাকে। সেই ক্ষেত্রে স্টিম আবার উপকারী। তাতে ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়, যা কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে। এই অবস্থায় বাড়িতে স্টিম নিতে,প্রথমে জল ভাল করে ফুটিয়ে নিন। তার পর ফুটন্ত জল অন্য একটি পাত্রে ঢেলে ফেলুন। তার মধ্যে কয়েক ফোঁটা পছন্দের এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন। এ বার তোয়ালে দিয়ে গোটা মাথা ঢেকে গরম জলের বাটির উপর মুখ ঝুঁকিয়ে রাখুন।
তবে পাত্রের খুব কাছাকাছি মুখ নিয়ে যাবেন না। প্রথমে ঘড়ি ধরে ৩০ সেকেন্ড, তার পর এক মিনিট। তার পর মুখ সরিয়ে নিন। কিছু ক্ষণ পর আবার মিনিট দুয়েক এই ভাবে মুখে স্টিম নেওয়া যেতে পারে।








