
চুল ঝরার কোনো নির্দিষ্ট সিজন নেই। যেকোনো সিজনেই চুল পড়তে পারে।
আর সেটা হয় সঠিক যত্নের অভাবে। সেটা খুব ভালো করে জানেন ভুক্তভোগীরা। আসলে শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা সব ঋতুতেই চুল কমবেশি পড়তে থাকে। শত চেষ্টাতেও এই সমস্যা থেকে সব সময় রেহাই পাওয়া যায় না।এই অবস্থায় নামি-দামি কম্পানির তেল-শ্যাম্পু ব্যবহার করেও ব্যর্থ হন অনেকে। আবার ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করেও সুফল মেলেনি, এমন উদাহরণও রয়েছে।ওদিকে শুধু ঝরে পড়ে না, নিষ্প্রাণও হয়ে পড়ে চুল।এখন প্রশ্ন হল যদি কোনো চেষ্টা কাজে না আসে, তাহলে কিভাবে করবেন চুলের পরিচর্যা।শুধু যে ত্বকেরই ময়েশ্চারাইজার প্রয়োজন হয়, তা কিন্তু না।চুলের চাই আর্দ্রতা।আর তার জন্য ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার জরুরি।মাথার ত্বকে আর্দ্রতার ঘাটতি চুল ঝরার পরিমাণ বাড়িয়ে তোলে। তাই অলিভ অয়েল, কাঠবাদামের তেল ভালো করে মালিশ করা জরুরি। তাতে অনেক সুবিধা হবে।মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ফেরাতে গরম ভাপ নেওয়া জরুরি।বাড়িতেই সেটা নেওয়া সম্ভব। শ্যাম্পু করার পর গরম জলেতে তোয়ালে ভিজিয়ে নিংড়ে নিয়ে মাথায় জড়িয়ে রাখুন অল্প সময়। মাঝেমাঝে এই স্টিম নিলে মাথার ত্বকে তেল পৌঁছবে ভালোমতো। সেই সঙ্গে আর্দ্রও থাকবে মাথার তালু।অন্যদিকে চুল ভালো রাখতে চাইলে তেল দূরে সরিয়ে রাখলে চলবে না।তেলের গুণেই চুল থাকবে ঝলমলে,মসৃণ ও কোমল।
তা ছাড়া চুলের গোড়া মজবুত করতেও তেলের ভূমিকা অনবদ্য। নিয়মিত তেল না মাখলে চুলের গোড়া শক্ত হবে না।
