
স্বামী বিবেকানন্দ-র মন্ত্রে এগিয়ে চলুক জীবন, তোমার জন্য গর্বিত, উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম আদৃত পাল-কে ভিডিও কলে শুভেচ্ছাবার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এদিকে, উচ্চমাধ্যমিকে মেয়েদের মধ্যে পঞ্চম হয়েছেন মেঘা মজুমদার।
তাঁর প্রাপ্ত নম্বর – ৪৯২। তাঁর স্কুল – শ্রীরামপুর রমেশচন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। পাশাপাশি আদৃত পাল-র বাবার সঙ্গেও কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ দিন ফোনে কথা বলার সময় আদৃতের বাবা মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধের সুরে বলেছেন, রাজ্যের শিক্ষার হাল ফেরানো হোক। উত্তরে শুভেন্দু আশ্বস্ত করে জানান, সব কিছুই দেখা হচ্ছে। আকাশের তারা গুনতে ভাল লাগে, ভবিষ্যতে সেই তারাদের নিয়েই গবেষণা করতে চান বরাহনগরের আদৃত পাল। ৪৯৬ নম্বর নিয়ে এ বার উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছেন তিনি। তাঁর পড়াশোনা রামকৃষ্ণ মিশন, নরেন্দ্রপুরে। প্রত্যাশা ছিল, তবে একেবারে প্রথম হবেন ভাবেননি। মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় আদৃতের একাদশ স্থান ছিল। সেখান থেকে একেবারে প্রথম। তিনি বলেছেন, বেশ কিছু ভুল ছিল মাধ্যমিকের সময়। তাই প্রত্যাশিত ফল পাইনি সে বার। একাদশ-দ্বাদশে আরও ভাল করে পড়াশোনা করেছেন। মা, বাবা আর আদৃত— এই ছোট পরিবারেই বড় হওয়া। যদিও ছোটবেলা থেকেই নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের আবাসিক ছাত্র তিনি। দ্বাদশের পর ইচ্ছে জ্যোতির্বিদ্যা বা অ্যাস্ট্রোনমি নিয়ে পড়াশোনা করতে চেয়েছেন বরাবর। সেই লক্ষ্যেই আপাতত এগিয়ে চলেছে আদৃত। ঘড়ি ধরে পড়াশোনা করতে খুব একটা ভালবাসেন না আদৃত। তবে আবাসিক স্কুলের কারণেই নিয়ম মেনে পড়াশোনা করতে হত তাঁকে।
একই সঙ্গে চলত খেলাধুলাও। পড়াশোনার পাশাপাশি আদৃত নিজেকে খাদ্যরসিক হিসাবে পরিচয় দিতে ভালবাসেন।








