
জাপানে বিমানবন্দরের ব্যাগেজ ও কার্গো ব্যবস্থাপনায় মানুষ নয়, এবার ব্যবহার করা হবে হিউম্যানয়েড রোবট। আর এমনই একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে জাপান এয়ারলাইন্স।
তথ্য অনুযায়ী, টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে মে মাস থেকে এই রোবটগুলোর ট্রায়াল শুরু হবে। প্রকল্পটি চলবে ২০২৮ সাল পর্যন্ত, যাতে বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কাজগুলোতে রোবটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা যায়।বলা হচ্ছে,পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হিউম্যানয়েড রোবটগুলো, যাত্রীদের ব্যাগেজ বহন করবে, কার্গো ও কন্টেইনার পরিবহন করবে, বিমানের লোডিং-আনলোডিং কাজে সহায়তা করবে ও সেই ভবিষ্যতে কেবিন পরিষ্কার করার কাজেও ব্যবহার হতে পারে।উল্লেখ্য জাপানের বিমানবন্দর খাতে দীর্ঘদিন ধরেই শ্রমিক সংকট রয়েছে। একই সঙ্গে দেশটিতে বৃদ্ধ জনসংখ্যা ও কম জন্মহার সমস্যাও বাড়ছে।পাশাপাশি পর্যটকের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় বিমানবন্দরের কাজের চাপও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে জাপান এয়ারলাইন্স বলছে, মানুষের শারীরিক চাপ কমানো এবং শ্রম ঘাটতি পূরণ করাই এই প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য।প্রাথমিক পর্যায়ে রোবটগুলো ২-৩ ঘণ্টা কাজ করতে পারবে, এরপর চার্জ করতে হবে। এগুলো মানবাকৃতির হওয়ায় বিদ্যমান বিমানবন্দরের কাঠামো বদল না করেই ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
পরীক্ষা সফল হলে ভবিষ্যতে আরও স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করার মতো উন্নত রোবট যুক্ত করা হবে এবং বিমানবন্দরের বিভিন্ন কাজে মানুষের পাশাপাশি রোবট স্থায়ীভাবে ব্যবহার করা হতে পারে।





