
হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ না করায় শুক্রবার থেকেই জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। শনিবার হুমায়ুন কবিরের বাবরি মসজিদ শিলান্যাস অনুষ্ঠান কার্যত জনজোয়ারে পরিণত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ তো বটেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রেজিনগরের মরাদিঘির সভাস্থলে ভিড় জমিয়েছেন ধর্মপ্রাণ মানুষজন।
মঞ্চে তখন মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য সরকারকে বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন তৃণমূলের সাসপেন্ডেড হুমায়ুন কবির। এরইমধ্যে সৌদি আরবের ধর্মগুরু থেকে অন্যান্যরা মূল মঞ্চে কোরান পাঠ করেছেন। রেজিনগরের সভাস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে মসজিদ স্থাপন হবে বলে জমি চিহ্নিত হয়েছে। বেলডাঙা এবং রেজিনগরের মাঝে জাতীয় সড়কের পাশে ছতিয়ানির মাঠে। দুপুর দেড়টার কিছু আগেই সভামঞ্চ থেকে ফিতে কেটে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেছেন হুমায়ুন কবির। যদিও এরপরেই খানিক বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় সভাস্থলে। মসজিদ তৈরির জন্য ধর্মপ্রাণ মানুষজনকে মাথায় ইট নিয়ে যেতেও দেখা গিয়েছে। বাবরি মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেই সদ্য তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হয়েছেন হুমায়ুন কবির। শুধু শিলান্যাস নয়। খাওয়াদাওয়ায় ছিল এলাহি আয়োজন। প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার প্যাকেট শাহি বিরিয়ানিও তৈরি করা হয়েছিল উপস্থিত মানুষজনের জন্য।
মসজিদের শিলান্যাস অনুষ্ঠান ঘিরে পুলিশের ঘেরাটোপে মুড়ে ফেলা হয়েছিল রেজিনগর এলাকা। নজরদারিতে ছিলেন ডিএসপি, ইন্সপেক্টর, এসআই সহ ১০০ অফিসার ছিলের। এছাড়া র্যাফ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল চলেছে।





