গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

29 C
Kolkata
29 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle হাইপারহাইড্রোসিস : লক্ষণ ও কারণ 

    হাইপারহাইড্রোসিস : লক্ষণ ও কারণ 

    0
    24
    ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    হাইপারহাইড্রোসিস হলো এমন এক সমস্যা, যেখানে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ঘাম হয়। এই ঘাম সব সময় গরম বা ব্যায়ামের কারণে হয় না।

    এই সমস্যায় এত বেশি ঘাম হতে পারে যে কাপড় ভিজে যায়। হাত থেকেও ঘাম ঝরতে পারে।এই অতিরিক্ত ঘাম আপনার দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত করতে পারে। এতে লজ্জা ও অস্বস্তিও তৈরি হয়। চিকিৎসা করলে সাধারণত এই সমস্যা কমে। চিকিৎসা শুরু হয় অ্যান্টিপারসপিরেন্ট দিয়ে।এতে কাজ না হলে বিভিন্ন ওষুধ বা থেরাপি নিতে হতে পারে। খুব গুরুতর হলে চিকিৎসক অস্ত্রোপচারেরও পরামর্শ দিতে পারেন। এতে ঘামগ্রন্থি সরানো বা ঘাম তৈরি করা স্নায়ুর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।ওদিকে,কখনো কখনো এর পেছনে অন্য কোনো রোগ থাকতে পারে।সেই রোগ খুঁজে বের করে চিকিৎসা করা হয়। সাধারণতঃ এই রোগের প্রধান লক্ষণ হলো অতিরিক্ত ঘাম। এটি শুধু গরম, ব্যায়াম বা দুশ্চিন্তার কারণে হওয়া ঘাম নয়।সাধারণত হাত, পা, বগল বা মুখে বেশি দেখা যায়। জেগে থাকা অবস্থায় সপ্তাহে অন্তত একবার অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।ঘাম সাধারণত শরীরের দু’ পাশেই হয়।এই অবস্থায়,চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে যদি- ঘাম আপনার দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করে, এতে মানসিক কষ্ট হয় বা মানুষের সঙ্গে মিশতে সমস্যা হয়, হঠাৎ আগের চেয়ে বেশি ঘাম শুরু হয়, কোনো কারণ ছাড়া রাতে ঘাম হয়।আবার কখনো অতিরিক্ত ঘাম বড় কোনো সমস্যার লক্ষণও হতে পারে। যদি ঘামের সঙ্গে মাথা ঘোরা, বুক, গলা, চোয়াল, হাত বা কাঁধে ব্যথা হয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ঠাণ্ডা ত্বক বা খুব দ্রুত হৃদস্পন্দন হলেও দেরি করা উচিত হবে না।এদিকে,ঘাম হওয়া শরীর ঠাণ্ঠা রাখার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। শরীরের তাপমাত্রা বাড়লে স্নায়ুতন্ত্র ঘামগ্রন্থিকে সক্রিয় করে। উদ্বিগ্ন হলে হাতের তালুতে ঘাম হয়।বলা হয়,প্রাইমারি হাইপারহাইড্রোসিস হয় স্নায়ুর ভুল সংকেতের কারণে।এতে এক্রিন ঘামগ্রন্থি বেশি সক্রিয় হয়ে যায়। এটি সাধারণত হাতের তালু, পায়ের পাতা, বগল ও কখনও কখনও মুখে হয়।এই ধরনের ক্ষেত্রে আলাদা কোনো রোগের প্রভাব পাওয়া যায় না। এটি পারিবারিক বা জিনগত সমস্যাও হতে পারে।এছাড়া সেকেন্ডারি হাইপারহাইড্রোসিস হয় অন্য কোনো রোগ বা কিছু ওষুধের কারণে। যেমন ব্যথার ওষুধ, মানসিক বিষণ্নতার ওষুধ, ডায়াবেটিস বা হরমোনের কিছু ওষুধ। এতে সারা শরীরে ঘাম হতে পারে।আরো যেসব কারণে এটি হতে পারে তার মধ্যে আছে,ডায়াবেটিস, মেনোপজের সময় হঠাৎ গরম লাগা, থাইরয়েডের সমস্যা, কিছু কিছু ক্যানসার, স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা, সংক্রমণ ইত্যাদি। এই সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে যদি,পরিবারের কারও অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা থাকে, এমন ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট নেন- যা ঘাম বাড়ায়, এমন কোনো রোগ থাকে-যা ঘাম সৃষ্টি করে।অন্যদিকে,এই রোগে কিছু সমস্যা হতে পারে, যেমন,যাদের বেশি ঘাম হয়, তাদের ত্বকে বিভিন্ন সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

    সামাজিক ও মানসিক প্রভাব,হাত সব সময় ভেজা থাকলে বা কাপড় ভিজে গেলে লজ্জা লাগতে পারে।এতে কাজ বা পড়াশোনার লক্ষ্যেও প্রভাব পড়তে পারে।