
কাশ্মীরের পহেলগাওতে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হয়েছেন ঘোড়া চালক আদিল। সেই বাড়ির একমাত্র রোজগেরে মানষ। কী হবে এরপর, কীভাবে তাদের সংসার চলবে-জানেন না তারা। কিন্তু মনে একটাই শান্তি, ছেলে দেশের মানুষকে বাচাতে, তাদের স্বার্থে প্রাণ দিয়েছে।
আদিলের বাবা হায়দার শাহ বলেছেন, ওর জন্য গর্ব হচ্ছে। ও নিজের প্রাণ দিয়েও কিছ মানুষকে বাঁচিয়েছে , এটা জেনেই আমার মাথা উঁচু হয়ে যাচ্ছে গর্বে। কথা বলতে বলতে গলা ধরে আসে তার বাবার। বহুকষ্টে কান্না ধরে রাখেন তিনি। মঙ্গলবারও সাধের ঘোড়াটিকে নিয়ে বৈসরন উপত্যকায় চক্কর কাটছিলেন আদিল হুসেন শাহা চোখের সামনে দেখথে পান বন্দুক উঁচিয়ে এক জঙ্গি এগিয়ে যাচ্ছে পর্যটকদের দিকে। সেই মুহূর্তে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি আদিল।
ছুটে গিয়ে কেড়ে নিতে চান জঙ্গির হাতে বন্দুক। তখনই হাতাহাতি। আর তার জেরে বুলেটের আঘাতে প্রাণ হারান তিনি। জঙ্গিরা যখন বেছে বেছে গুলি করছিল হিন্দুদের, আদিল তাদের সামনে দাঁড়িয়ে কেড়ে নিতে চেয়েছিল বন্দুক। কেউ হয়তো মনে না রাখলেও এটাই লেখা হয়ে থাকবে কাশ্মীরের ইতিহাসে।








