
ইসরায়েলের সামরিক হামলার পরিণতি নিয়ে আলোচনা করতে জরুরি অধিবেশনে বসেছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার পরিচালনা পরিষদ।সোমবার অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা-আইএইএ এর সদর দপ্তরে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই বৈঠকের অনুরোধ জানিয়েছিল ইরান। পরে রাশিয়া, চীন ও ভেনেজুয়েলা এতে সমর্থন দেয়।শুরুতে ইরান সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানাতে একটি প্রস্তাব পেশ করতে চেয়েছিল। কিন্তু কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ওই প্রস্তাব সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পাবে না। ফলে ইরান একটি সাধারণ বিবৃতি সামনে এনেছে,যাতে ইসরায়েলের কার্যকলাপের নিন্দা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।উল্লেখ্য এই জরুরি বৈঠক হয়েছে এমন এক সময়ে, যখন ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এর মধ্যে ইরানের নাতাঞ্জ ও ফোর্দোতে পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছে ইসরায়েল।এদিকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রাক্তন উপ পরিচালক জেনারেল ফর সেফগার্ডস অলি হেইনোনেন বলেছেন, ইসরায়েলের হামলার পর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির অবস্থান ঠিক কোথায় তা পুরোপুরি জানা যাচ্ছে না।অন্যদিকে,ইরানের মিসাইল লঞ্চার বা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্রের এক তৃতীয়াংশ ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী।ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডিফ্রিন এক সংবাদ সম্মলনে এই দাবি করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, ইরান সরকারের ভূমি থেকে ভূমিতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে ব্যবহৃত যন্ত্রের এক তৃতীয়াংশই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তেহরানের আকাশসীমায় নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ অর্জনেরও দাবি করেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী।








