
বেলা যত বেড়েছে বিজেপির জয়ের ছবি পরিষ্কার হতেই উৎসব মেতেছে কলকাতা থেকে জেলা। দিল্লির সদর দফতরেও রীতিমত স্টল করে ঝালমুড়ি বিতরণ করা হচ্ছে।
বিলি করা হয়েছে বাঙালির আইকন মিষ্টি রসগোল্লাও। যা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা বলছেন বাংলায় ঝালের সঙ্গে মিষ্টি মিলে একাকার। গেরুয়া আবির, লাড্ডু তো রয়েইছে। জয়ের ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে বিজেপির পুরনো অফিস মুরলীধর সেন লেন, সল্টলেকে নতুন অফিসে ঝালমুড়ি বিতরণ করেছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। যে ঝালমুড়ি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে এখন সেলিব্রেশনের নতুন ট্রেন্ড বাংলায়। প্রচার পর্বে ঝাড়গ্রামে রাস্তার ধারে দোকান থেকে বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড ঝালমুড়ি খেয়ে নতুন ট্রেন্ড এনেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। কার্যত ভাইরাল হয়ে যায় নরেন্দ্র মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়া। প্রধানমন্ত্রীর ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে প্রচারপর্বে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মদন মিত্রকে দেখা গিয়েছিল রাস্তায় নেমে প্রতীকী ঝালমুড়ি বিক্রি করতে। এর আগেও কর্মসংস্থানের প্রশ্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চপ শিল্পের পরামর্শের প্রতিবাদে বিধানসভা ভোটে ঘুগনি, ঝালমুড়ি বিক্রি করেছিলেন বিজেপি বিধায়করা। এর আগে বিভিন্ন প্রচারমঞ্চে বিজেপিকে মাছ-মাংস বিরোধী বলে দাগিয়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সেই বদনাম ঘোচাতে ক্ষমতার আসার আভাস পেতেই রাজ্য বিজেপির সল্টলেকের দফতরে মাছ-ভাতে মধ্যাহ্নভোজেরও আয়োজন করা হয়েছে।





