গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

32 C
Kolkata
32 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle রক্তচাপ হঠাৎ কমে গেলে

    রক্তচাপ হঠাৎ কমে গেলে

    0
    131
    ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল

    রক্তচাপ বাড়লেই আমরা সাধারণত ভয় পাই,হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি জটিলতা ইত্যাদির ঝুঁকি মাথায় আসে।কিন্তু রক্তচাপ খুব কমে গেলেও বিপদের আশঙ্কা কম নয়। হাইপোটেনশন বা নিম্ন রক্তচাপও সমানভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি ডেকে আনতে পারে।প্রথমেই বলা ভালো উচ্চ রক্তচাপ,হাইপারটেনশন, ১৪০/৯০ বা তার বেশি।এবং নিম্ন রক্তচাপ,হাইপোটেনশন ১১০/৬০ বা তার কম।

    যারা নিয়মিত রক্তচাপ মাপেন না, তারা সহজেই উচ্চ বা নিম্ন চাপ ধরতে পারেন না।কিন্তু শরীর অনেক সময় আগাম সংকেত দেয়।উচ্চ রক্তচাপের সাধারণ উপসর্গের মধ্যে আছে,মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় করা, নাক থেকে রক্তপাত।অন্যদিকে,নিম্ন রক্তচাপের লক্ষণ অতিরিক্ত ক্লান্তি, মাথা ঘোরা বা ঝাপসা দেখা, অস্থির হৃদস্পন্দন, বমি বমি ভাব, আচমকা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা ব্ল্যাকআউট। ওদিকে,অনেকের ক্ষেত্রে জন্মগতভাবেই রক্তচাপ কিছুটা কম থাকে, তবে লক্ষণ প্রকাশ না হলে তা নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই।কিন্তু উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এখন প্রশ্ন হল,হাইপোটেনশন কতটা বিপজ্জনক?অনেকেই মনে করেন লো ব্লাড প্রেশার তেমন ক্ষতিকর নয়। কিন্তু এটি দীর্ঘস্থায়ী হলে হার্ট ও মস্তিষ্কে রক্ত পৌঁছাতে সমস্যা হয়, যা হতে পারে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা স্ট্রোকের কারণ।পাশাপাশি,কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থা, যেমন,হিমোগ্লোবিনের অভাব বা রক্তাল্পতা, পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম, দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা বা ডায়েট এসবও নিম্ন রক্তচাপের কারণ হতে পারে। এই অবস্থায় হঠাৎ রক্তচাপ কমে গেলে লবণ-চিনির জল বা ওআরএস খেতে পারেন,যা শরীরে সোডিয়াম ও শর্করার ঘাটতি পূরণে উপকারী।সেইসঙ্গে চোখ-মুখে ঠাণ্ডা জলেতে ধোয়া হলে স্নায়ু কিছুটা স্বস্তি পায়।

    কালো কফি খেতে পারেন ক্যাফেইন রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে, তবে মাত্রা বজায় রাখা জরুরি।বিশ্রাম নিন,মাথা কিছুটা উঁচু করে শোয়া ভালো।নিম্ন রক্তচাপ থাকলে পুষ্টিকর ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি।খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন দুধ, ডিম, মুরগি, ছানা, পানি। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি তার নিয়মিত পর্যবেক্ষণও জরুরি। শুধু উচ্চ নয়, নিম্ন রক্তচাপের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।