
তৃণমূল কর্মী খুনের পর বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুরের নৈহাটিতে দাঁড়িয়েই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেছেন গুলি করলে গুলি তো খেতেই হবে। এত বড় ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একবারও আসেননি।
পুলিশ এসেছে কিন্তু তদন্ত হয়নি। ভাড়া করা গুন্ডা দিয়ে বিজেপির কার্যালয়ে ভাঙচুর চলেছে। তৃণমূল চাইছে এলাকা দখল করতে। শুক্রবার তৃণমূল কর্মী সন্তোষ যাদবকে খুনের পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নৈহাটি। তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক সরাসরি বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের দিকে আঙুল তুলেছে। তৃণমূল কর্মী খুনে অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ রাজেশ সাউয়ের হাত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এরপরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। বিজেপি পার্টি অফিসে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে। সেই ঘটনার পর রবিবার এলাকায় যান সুকান্ত মজুমদার। তিনি সাফ জানিয়েছেন এটা রেষারেষির ফল। তাঁর কথায় যে খুন হয়েছে সে একুশ সালে গুলি চালিয়েছিল। তাই আজ না হয় কাল গুলি খেতেই হত। এটাই পৃথিবীর নিয়ম।
সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া হবেই। অন্যদিকে প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং বলেছেন গুন্ডাদের লড়াই এটা। তৃণমূলের একটা গুন্ডাকে আর একটা গুন্ডা মেরেছে। এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির নাম জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।




