
বাংলাদেশে ৫৬ শতাংশ থেকে সংরক্ষণ নামল ৭ শতাংশে। রবিবারই বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কেবল সাত শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
বাকি ৯৩ শতাংশ আসনেই নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী, দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানেরা সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে আগের মতো ৩০ শতাংশ নয়, পাঁচ শতাংশ সংরক্ষণ পাবেন। সাত শতাংশের মধ্যে বাকি দুই শতাংশ সংরক্ষণ থাকছে অন্যান্য শ্রেণির জন্য। ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশে সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। শুরুতে সরকারি চাকরির ৫৬ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল। বাকি ৪৪ শতাংশে নিয়োগ হত মেধার ভিত্তিতে। এই ৫৬ শতাংশের মধ্যে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের স্বজনদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০ শতাংশ, বিভিন্ন জেলার জন্য ১০ শতাংশ, জনজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ সংরক্ষিত পদ ছিল। ২০১৮ সালে সংরক্ষণ সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ জারি করে মুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০ শতাংশ এবং জেলা খাতে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ বাতিল করে দেন। শেখ হাসিনার সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০২১ সালে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সাত জন মুক্তিযোদ্ধার পরিবার। সেই মামলায় ৫ জুন হাইকোর্ট জানায়, সরকারের সিদ্ধান্ত অবৈধ। এই পরিস্থিতিতে হাইকোর্টের রায়ের পরেই বাংলাদেশজুড়ে নতুন করে আন্দোলন শুরু হয়। তবে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আগেই গিয়েছিল শেখ হাসিনা সরকার।
