
কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া যে বৃহস্পতিবারই ইস্তফা দিতে পারেন, বুধেই সেই সম্ভাবনা জোরালো হয়েছিল। কংগ্রেস সূত্রে খবর মিলেছিল, রাজ্যপাল টি গেহলটের কাছে তিনি সময়ও চেয়ে রেখেছিলেন।
সূত্রে খবর, দুপুর আড়াইটে থেকে তিনটার মধ্যে রাজভবনে গিয়ে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দিতে পারেন তিনি। কিন্তু বুধবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ বেঙ্গালুরু ছেড়েছেন রাজ্যপাল! জানা গিয়েছে, গতকাল গভীর রাতে মুম্বই পৌঁছেন তিনি। সেখান থেকে ইন্দোরে যান। জানা গিয়েছে, তাঁর এক আত্মীয় অসুস্থ থাকার কারণে হঠাৎ তাঁর এই সফর। তাহলে কি, মুখ্যমন্ত্রীকে ছাড়াই পদত্যাগপত্র জমা দেবেন সিদ্দারামাইয়া? রাত সাড়ে ১১টার বিমানে তিনি ইন্দোর গিয়েছেন রাজ্যপাল।
এই পরিস্থিতিতে তাঁর ইস্তফার নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে কর্নাটকে তৈরি হয়েছে টানটান উত্তেজনা। গতকাল থেকেই শোনা যাচ্ছে বৃহস্পতিবারই মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন তিনি। কিন্তু রাজ্যপালের অনুপস্থিতিতে আদৌ কি তা সম্ভব হবে? উল্লেখ্য, ২৬ মে দিল্লিতে সাত ঘণ্টার একটি ম্যারাথন বৈঠক হয়। খবর, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্দারামাইয়া মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে রাজি হয়েছেন। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর পদের বিনিময়ে তাঁকে রাজ্যসভার আসন এবং ছেলেকে উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।






