অস্বস্তিকর সামাজিক পরিস্থিতিতে 

0
133
ছবি সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল

পার্টি, আড্ডা বা পারিবারিক অনুষ্ঠানে অনেক সময় আমরা এমন কিছু পরিস্থিতিতে পড়ি, যেগুলো বেশ অস্বস্তিকর।তবে একটু কৌশলী হলে খুব সহজেই এগুলো সামলানো যায়।

আসলে ভদ্রতা মানে শুধু নিয়ম মানা নয়, বরং অন্যদের স্বস্তিতে রাখা।যেমন ধরুন কারও নাম ভুলে যাওয়া।অনেকবার দেখা হলেও অনেক সময় কারও নাম মনে পড়ে না। কিন্তু সেটা সরাসরি বললে অপ্রস্তুত হতে পারেন আপনি এবং অপর পক্ষও।সমাধান হলো,বলুন, আমি নতুন ফোন কিনেছি, পুরনো সব কন্টাক্ট হারিয়ে গেছে। আবার নম্বরটা দিন তো।চাইলে বলতে পারেন, আপনার ইনস্টাগ্রাম/ফেসবুক আইডি দিন, সেভ করি।আরেকটি সহজ উপায় হলো,পাশে থাকা কাউকে পরিচয় করিয়ে দিন। এতে অপর পক্ষ নিজেই নিজের নাম বলে দেবে।অন্যদিকে,কখনো কখনো কোনো আলাপ দীর্ঘ হয় বা এমন কথাবার্তা চলে, যা থেকে আপনি সরে আসতে চান।সমাধান হলো,সঙ্গে থাকা কাউকে আলাপচারিতায় জড়িয়ে দিন।তারপর বলুন, আমি এক গ্লাস পানীয় নিয়ে আসি বা,একটু ওয়াশরুমে যাচ্ছি।এইভাবে আপনি সহজেই আলাপ থেকে সরে যেতে পারবেন, আর অন্যরাও বুঝতে পারবে না।আবার,আত্মীয়স্বজনের মধ্যে কথাবার্তা অনেক সময় খোলামেলা হয়। তবে কেউ যদি সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখন সেটা সামলানোটা কঠিন হতে পারে।সমাধান,ভাইবোন বা কাজিন হলে হালকা ঠাট্টায় ছেড়ে দিন।বড়দের ক্ষেত্রে শুধু হেসে পাশ কাটিয়ে যান বা ধীরে ধীরে সরে যান।যদি শ্বশুরবাড়ির কেউ হন, তাহলে বিষয়টি আপনার জীবনসঙ্গীকে বলুন। তিনি পরবর্তীতে বুঝিয়ে বলবেন।সেইসঙ্গে,ঐ মুহূর্তে মুখে হাসি রাখুন, বিরোধ না তৈরি করে পরে শান্তভাবে বিষয়টি সামলানো ভালো।আসলে,জীবনে অনেক সময় পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না, কিন্তু আমাদের প্রতিক্রিয়াই পারে পরিবেশকে সুন্দর রাখতে।

তাই হেসে কথা বলুন, নম্র থাকুন, অনেক কঠিন পরিস্থিতিও সহজ হয়ে যাবে।সব মিলিয়ে,ভদ্রতা মানে হলো অন্যকে স্বস্তিতে রাখা,নিজের সম্মান রক্ষা করে, অন্যকে সম্মান দেখিয়ে।