
রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে কোনওরকম সৌজন্য নয়, বন্ধ চা-কফিও। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া,খবর সূত্রের।
তৃণমূল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, শিব সেনা -উদ্ধব, এনসিপি -শরদ এবং ডিএমকে সাংসদরা ইতিমধ্যেই চেয়ারম্যানকে এড়িয়ে চলা ইতিমধ্যেই শুরু করেছেন। কংগ্রেস সাংসদদেরও তেমন করার কথা। যদিও দু’-একজন সাংসদ ধনকড়ের সঙ্গে এর মধ্যে সাক্ষাৎ করছেন বলে শোনা যাচ্ছে। তবে দলগতভাবে কংগ্রেসও জগদীপ ধনকড়কে কার্যত বয়কট করার পক্ষে। জগদীপ ধনকড়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সংসদের চলতি শীতকালিন অধিবেশনে বিরোধীদের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছেন। রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই অনাস্থা বা ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়েছে ইন্ডিয়ার তরফে। সোমবার সংবিধানের ৭৫তম বর্ষের আলোচনা শুরু হবে রাজ্যসভায়। তাতে অংশ নেবেন তৃণমূলের ১০-১১ জন সাংসদ। তুলে ধরা হবে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের ছবি। সূত্রের খবর, তিন মিনিটের বক্তব্যে প্রত্যেকে আলোচনা করার সুযোগ পাবেন। সংবিধানের প্রস্তাবনার একেকটি শব্দ নিয়ে একেকজন সাংসদ আলোচনা করবেন। এক্ষেত্রে আলাদা আলাদা ভাষাতেও কথা বলতে পারেন তৃণমূল সাংসদরা। এদিকে ইতিমধ্যেই সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর বিরুদ্ধে রাজ্যসভায় প্রিভিলেজ মোশন দায়ের হয়েছে।
গত কয়েকদিন লোকসভায় কোনও বিজেপি সাংসদ বিরোধীদের উদ্দেশে অপমানজনক কিছু বলেছেন কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে তৃণমূলের তরফে। কোনও সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলেই একইভাবে স্বাধিকারভঙ্গের অভিযোগ আনবে রাজ্যের শাসকদল।








