
মোহাম্মদ মুইজ্জু মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে দুই দেশ। বলা যায়, ভারত–মালদ্বীপ সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে।
মুইজ্জু ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম দুই দেশের প্রতিরক্ষা সচিবেরা বৈঠকে বসেছেন। মালদ্বীপ থেকে ভারতের ‘সেনা অপসারণের’ পর এই প্রথম প্রতিরক্ষা–সংক্রান্ত সহযোগিতার প্রশ্নে দুই দেশ কাছাকাছি এসেছে।সম্প্রতি,দিল্লিতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনায় বসেন ভারতের প্রতিরক্ষাসচিব গিরিধর আরামানে ও মালদ্বীপের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ইব্রাহিম হিলমি।দু’ দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে এটি ছিল পঞ্চম বৈঠক। চতুর্থ বৈঠকটি হয়েছিল প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম সোলিহ যখন ক্ষমতায় ছিলেন।বৈঠকের পর ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে দু’ দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।এগুলোর মধ্যে রয়েছে বর্তমান প্রকল্পগুলোর দ্রুত রূপায়ণের বিষয়ও।বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, দু’ দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।যেমন সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের আসা–যাওয়া এবং দক্ষতা বৃদ্ধি–সংক্রান্ত প্রকল্পগুলোর রূপায়ণ। আসন্ন দ্বিপক্ষীয় সামরিক মহড়ায় যোগদানের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে।








