
ভারতীয় নার্স নিমিশা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সিলমোহর দিয়েছেন ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট রাশাদ আল-আলিমি। আগামী এক মাসের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে।
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, গোটা পরিস্থিতি নিয়ে ভারত সরকার ওয়াকিবহাল। নিমিশার পরিবারও সব রকম চেষ্টা করেছে। সরকার যথাসাধ্য সাহায্য করছে। ইয়েমেনি নাগরিক তালাল আব্দো মাহদি-কে হত্যার দায়ে ২০১৭ সাল থেকে জেলবন্দি রয়েছেন নিমিশা। সাত বছরে পরিবারের তরফে নিমিশাকে বাঁচানোর সব চেষ্টা করা হয়েছে। প্রয়োজন মতো সাহায্য করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও। ২০১৮ সালে ইয়েমেনের আদালত তাঁর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে। এ বার সেই রায়েই সিলমোহর পড়েছে। অভিযোগ, ২০১৭ সালের মাহদিকে ঘুমের ইঞ্জেকশন দিয়েছিলেন ওই নার্স। নিমিশার দাবি, মাহদিকে ঘুম পাড়িয়ে নিজের পাসপোর্ট পুনরুদ্ধার করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু ওভারডোজের কারণে মৃত্যু হয়েছে মাহদির। এরপর অন্য একজনের সাহায্য নিয়ে মাহদির দেহ টুকরো করে জলের ট্যাঙ্কে ফেলে দিয়েছেন তিনি। ইয়েমেন থেকে পালানোর সময় ধরা পড়েছিলেন। ২০১৮ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ইয়েমেনের আদালত। মেয়েকে বাঁচানোর সব রকম চেষ্টা করেন নিমিশার পরিবার।
আইনজীবীর ব্যবস্থা করে দিয়েছিল ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও। কিন্তু গত বছর নিমিশার সাজা মকুবের শেষ আবেদনও খারিজ হয়ে গিয়েছে সে দেশের সুপ্রিম কোর্টে।
