
শুভাংশু শুক্লর পর এ বার মহাকাশে যাচ্ছেন আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত নভশ্চর অনিল মেনন। ২০২৬ সালের জুন মাসে রসকসমসের সয়ুজ এমএস-২৯ মহাকাশযানে চেপে পাড়ি দেওয়ার কথা অনিল মেননের। সঙ্গে থাকবেন রসকসমসেরই আরও দুই মহাকাশচারী পিওত্র দুব্রোভ এবং আনা কিকিনা।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন-এর উদ্দেশে রওনা দেবেন অনিল মেনন। অভিযানের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে এখন থেকেই। রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা রসকসমসের এক্সপিডিশন-৭৫-এ ক্রু সদস্য এবং ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন নাসার মহাকাশচারী অনিল। কাজাখস্তানের বৈকানুর কসমোড্রোম থেকে উৎক্ষেপণের পর তিন নভশ্চরের লক্ষ্য আইএসএস। সেখানে আট মাস থেকে নানাবিধ পরীক্ষানিরীক্ষা করবেন তাঁরা। ভারতীয় বংশোদ্ভূত অনিলের জন্ম আমেরিকার মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসে। তিনি ইউক্রেন এবং ভারতের অভিবাসীদের সন্তান। মিনেসোটার সেন্ট পল অ্যাকাডেমি অ্যান্ড সামিট স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন অনিল। ১৯৯৫ সালে স্নাতক স্তরের ডিগ্রি অর্জন করেন। এর পর ১৯৯৯ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিউরোবায়োলজিতে স্নাতক হন। ২০০৪ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর স্তরের ডিগ্রি অর্জন করেন। এখানেই শেষ নয়, এর পর ২০০৬ সালে স্ট্যানফোর্ড মেডিক্যাল স্কুল থেকে মেডিক্যাল ডিগ্রিও অর্জন করেন অনিল। ২০০৯ সালে স্ট্যানফোর্ডে জরুরি চিকিৎসায় রেসিডেন্টশিপ শেষ করেন। ২০১০ সালে ওয়াইল্ডারনেস মেডিসিনে ফেলোশিপ পান। ৪৮ বছর বয়সি অনিল দীর্ঘ দিন বায়ুসেনায় কাজ করেছেন।
২০১৪ সালে নাসায় যোগ দেন ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে। সয়ুজ টিএমএ-১৩এম এবং সয়ুজ টিএমএ-১৭এম-এর ডেপুটি ক্রু সার্জন এবং সয়ুজ এমএস৬-এর প্রাথমিক ক্রু সার্জন হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন অনিল। ১ হাজার ঘন্টারও বেশি ওড়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।







