
ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক যুগের অবসান। নাচের মুদ্রায় দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখা প্রবীণ অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মধুুমতী ৮৭ বছর বয়সে মারা গেছেন।
চলচ্চিত্র জগতে তার অবদান ছিল অসামান্য। তার সময়ের কিংবদন্তী নৃত্যশিল্পী হেলেনের মতো তারকাদের সঙ্গে প্রায়শই তাকে তুলনা করা হতো। মধুুমতী তার অসাধারণ শিল্পকর্মের জন্য পরিচিত ছিলেন। আঁখে, টাওয়ার হাউস, শিকারী, এবং মুঝে জিনে দো’র মতো একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে তার অভিনয় ও নৃত্যশৈলী দর্শকদের হৃদয়ে দাগ কেটে গেছে।নৃত্যশৈলীতে পারদর্শী অভিনেত্রীকে প্রায়শই হেলেনের সঙ্গে তুলনা করা হত। শৈশব থেকেই নাচের প্রতি তাঁর বিশেষ অনুরাগ ছিল। ভরতনাট্যম, কত্থক, কথাকলি, মণিপুরির মতো নৃত্যশৈলীর প্রশিক্ষণও নিয়েছিলেন।তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অভিনেতা বিন্দু দারা সিং সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ শোকবার্তায় লিখেছেন, তাঁদের শিক্ষক এবং পথপ্রদর্শক মধুমতী জি, শান্তিতে থাকুন। আপনি সুন্দর জীবন যাপন করেছেন এবং আমরা অনেকেই আপনার কাছ থেকে নৃত্য শিখেছি। এই কিংবদন্তীর প্রতি আমাদের ভালোবাসা। উল্লেখ্য,১৯৩৮ সালে মহারাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন মধুুমতী। ছোটবেলা থেকেই নাচের প্রতি ছিল তার গভীর ভালোবাসা। ভরতনাট্যম, কথ্থক, মণিপুরী, এবং কথাকলির মতো ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের বিভিন্ন ধারায় তিনি প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৫৭ সালে মুক্তি না-পাওয়া একটি মারাঠি চলচ্চিত্রে নৃত্যশিল্পী হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু। পরে তিনি চলচ্চিত্রের নাচেও পারফর্ম করে বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯ বছর বয়সে তিনি প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী দীপক মনোহরকে বিয়ে করেন।
দীপক মনোহর তার চেয়ে বয়সে অনেকটাই বড় ছিলেন এবং তার প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর চার সন্তানের পিতা ছিলেন।যদিও তার মা এই বিবাহে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, মধুুমতী মায়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়েই দীপক মনোহরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করেন।








