
জার্মানি থেকে আরিহা শাহকে ফিরিয়ে আনার জন্য সে দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। বিষয়টিকে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই দেখছে নয়াদিল্লি।
তার পরিবারকেও সবরকম সাহায্য করা হচ্ছে,জানিয়েছেন ভারতের বিদেশসচিব বিক্রিম মিস্রী।উল্লেখ্য,সাড়ে ছ’বছর বয়সি আরিহাকে ভারতে ফেরানোর জন্য গত কয়েক বছর ধরে চেষ্টা চালাচ্ছে নয়াদিল্লি। কূটনৈতিক স্তরে অনুরোধ করা হয়েছে। দফায় দফায় আলোচনাও হয়েছে। কিন্তু জার্মানি থেকে এখনও ফেরানো যায়নি তাকে। বিদেশসচিব মিস্রি জানিয়েছেন, জার্মান সরকার এবং সে দেশের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে ভারত। দিল্লিতে জার্মান দূতাবাসের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।এমন এক সময়ে আরিহা প্রসঙ্গ উঠে এল যখন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎজ় ভারত সফরে এসেছেন। বস্তুত, ২০২১ সাল থেকে জার্মানির সরকার নির্দেশিত ঠিকানায় ,ফস্টার শেল্টারে বেড়ে উঠছে আরিহা। যথাযথ দেখাশোনা হচ্ছে না অভিযোগ তুলে জার্মানিবাসী ভারতীয় দম্পতি ভবেশ ও ধারা শাহের থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল তাঁদের সন্তানকে। এমনকি যৌন নিগ্রহের অভিযোগও তোলা হয়েছিল মা-বাবার বিরুদ্ধে। পরে সেই অভিযোগ খারিজ হয়ে গেলেও আরিহাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি মা-বাবার কাছে। উল্লেখ্য ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের সেই ঘটনায় ভবেশ ও ধারা তাঁদের মেয়েকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন।মেয়ের ডায়পারে রক্ত দেখে তাঁরা ডাক্তারের কাছে যান।
সে সময়ে কিছু না হলেও পরে আবার মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে গেলে তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চাইল্ড কেয়ার সার্ভিসেসে খবর দেন। সেই থেকে জার্মানিতে একটি ফস্টার কেয়ার অর্থাৎ পালক মা-বাবার তত্ত্বাবধানে রয়েছে শিশুটি।
