
জাতগণনা মানুষের উন্নয়নের চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজন। তবে এটি ভোট-রাজনীতির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা উচিত নয়।
এমনই মন্তব্য করেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মুখপাত্র সুনীল অম্বেডকর। এর পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশ্যে সুনীলের বার্তা, সরকারের উচিত তথ্য জানার উদ্দেশ্যে জাতগণনা করা। তবে জাতপাতের প্রতিক্রিয়া আমাদের সমাজে একটি সংবেদনশীল বিষয়। জাতীয় সংহতির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বিহারে জাতগণনা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলাকালীন অক্টোবরের গোড়ায় মোদী পরোক্ষে জাতগণনার উদ্যোগের সমালোচনা করে বলেছিলেন, দেশে বিভাজন ঘটানোর চেষ্টা চলছে।এর পর ডিসেম্বরে আরএসএস সরাসরি জাতগণনার বিরোধিতা করেছিল। সঙ্ঘের তরফে বলা হয়েছিল, জাতগণনা দেশে সামাজিক বৈষম্য আরও গভীর করবে।তবে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত সে সময়, স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছিলেন, তাঁরা তফসিলি জাতি-জনজাতি এবং ওবিসি সংরক্ষণের বিরোধী নন।









