বাংলাদেশে আগামী বছরই জাতীয় নির্বাচন!

0
419

বাংলাদেশে নির্বাচন কবে? বিশেষ পরিস্থিতিতে ক্ষমতার পালাবদলের পর কোটি মানুষের এখন এই প্রশ্ন।

ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতা নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই স্পষ্ট করছে না। তবে সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল নির্বাচন আগামী বছর নাগাদ হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন। এর আগে সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান দেড় বছরের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছিলেন।

এই অবস্থায়,আগামী বছরের মধ্যে নির্বাচন করা নিয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল যে বক্তব্য দিয়েছেন তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তবে নির্বাচনের সময় নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আশ্বস্ত হতে পারছে না বিএনপি।আইন উপদেষ্টার বক্তব্যের সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি জামায়াত।অন্য দলগুলোর মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচন কখন হবে, কিভাবে হবে, নির্বাচন করার আগে কী কী কাজ সম্পন্ন করতে হবে,তা অর্ন্তবর্তী সরকারের বিবেচনার বিষয়।উল্লেখ্য টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকার ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়। দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা ওই সরকারের বিরুদ্ধে অন্তহীন অভিযোগ।

বিনা ভোটে নির্বাচন, হত্যা, গুম, খুন, ভিন্নমতের রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের দমন, দুর্নীতি, অনিয়ম, দখলবাজি, সন্ত্রাসসহ বিস্তর অভিযোগের চূড়ান্ত পরিণতি হয় জনরোষে ক্ষমতা থেকে অপসারণ। এমন প্রেক্ষাপটে ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর মানুষের প্রত্যাশার পাহাড়। নির্বাচনী ব্যবস্থা, আর্থিক খাত, বিচার বিভাগ, সংবিধান সংস্কার, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশসহ হাজারো সমস্যা নিরসনের চাপ।

আড়াই মাস ক্ষমতায় থাকা এই সরকারের সামনে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও সুশাসন ফেরানো যেমন চ্যালেঞ্জ, তেমনি একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনও আরো বড় চ্যালেঞ্জ।

এরই মধ্যে সরকার প্রধান খাতগুলোর সংস্কারের লক্ষ্যে পৃথক পৃথক সংস্কার কমিশন গঠন করে দিয়েছে।

ছবি  সৌজন্যে :সংগৃহীত