গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

32.7 C
Kolkata
32.7 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং সবার জন্য নয়

    ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং সবার জন্য নয়

    0
    76
    ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল

    আজকাল ওজন কমাতে অনেকেরই প্রথম পছন্দ ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং। এই পদ্ধতিতে দিনের একটা দীর্ঘ সময় ,যেমন ১৬ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হয় এবং বাকি অল্প সময়ের ,যেমন ৮ ঘণ্টা মধ্যে খাবার খেতে হয়।সাধারণ কড়া ডায়েট বা জিমের চেয়ে এটি সহজ মনে হওয়ায় অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি শুরু করে দেন।

    কিন্তু চিকিৎসকদের মতে,এই ডায়েট সবার শরীরের জন্য উপযোগী নয়। এবার প্রশ্ন হলো কাদের এই ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করা একদমই উচিত নয়।  উত্তর হলো,ডায়াবেটিক রোগী।দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে যেতে পারে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলা হয়।এর ফলে শরীর অতিরিক্ত ক্লান্ত লাগা এবং মাথা ঘোরার সমস্যা হতে পারে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ডায়েট করা যাবে না।আবার মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য এই সময়ে শরীরে নিয়মিত পুষ্টির জোগান থাকা জরুরি।দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে মায়ের শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়, যা শিশুর স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে এবং বুকের দুধ উৎপাদনের হার কমিয়ে দিতে পারে।ওদিকে,যারা অ্যাসিড রিফ্লাক্স, আলসার বা গ্যাস্ট্রাইটিসের মতো পেটের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এই ফাঁকা পেটে থাকা ক্ষতিকর। দীর্ঘ সময় খাবার না খেলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে বুক জ্বালাপোড়া, পেট ফাঁপা বা বদহজমের সমস্যা আরো বেড়ে যায়। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগী, দীর্ঘ সময় উপোস থাকার ফলে রক্তে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে যেতে পারে। যারা উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের ওষুধ খান, তাদের শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি হলে বড় ধরনের শারীরিক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

    আবার অল্প বয়সে শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও গঠনের জন্য প্রচুর পুষ্টির প্রয়োজন হয়। এই বয়সে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করলে পুষ্টিহীনতার কারণে কিশোর-কিশোরীরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। তাই নাবালকদের এই ডায়েট থেকে দূরে থাকাই ভালো।