
মুখ্যমন্ত্রীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতীক জৈন-র বাড়িতে তদন্তে পুলিশে যাওয়ার মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে ইডি। যদিও তার আগে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে রাজ্য। শুক্রবার হাইকোর্টে ইডির দ্রুত শুনানির আর্জি প্রধান বিচারপতি খারিজ করে দিতে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইডি।
এজলাসে বিশৃঙ্খলার কারণে ইডি এবং তৃণমূল দুই পক্ষেরই মামলা ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। এদিকে অফিস এবং ডিরেক্টরের বাড়িতে ইডির তল্লাশি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে আইপ্যাক। সংস্থার তরফে বলা হয়েছে ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা আইপ্যাক কোনও রাজনৈতিক দল নয়। এই সংস্থা রাজনৈতিক দলগুলোর অ্যাডভাইসরি হিসেবে কাজ করে। বিজেপি, কংগ্রেস, আপ, জনতা দল, শিবসেনা, তৃণমূল সহ একাধিক দলের ভোট কৌশলি হিসেবে কাজ করে। তবে বৃহস্পতিবার ইডির হঠাৎ তল্লাশি দুভার্গ্যজনক। যদিও তারা তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছে। এদিকে আইপ্যাককাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রতীক জৈন-র বাড়ি গিয়েছে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। বাড়ির পরিচারিকা, নিরাপত্তারক্ষীর বয়ান রেকর্ড করেছেন তদন্তকারী অফিসাররা। সেই সঙ্গে প্রতীক জৈন-র বাড়ি থেকে যাবতীয় সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিভিআর সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার কয়লাকাণ্ডে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন-র লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি এবং সেক্টর ফাইভে তাঁর অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি আধিকারিকরা। বেলার দিকে প্রতীক জৈন-র বাড়িতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। কিছু পরে সেখান থেকে ফাইল, লাপটপ, হার্ডডিস্ক বেরিয়ে আসেন।
এরপর সল্টলেকের অফিসেও গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকেও একাধিক ফাইল পুলিশ আধিকারিকরা গাড়িতে তোলেন। ইডির তল্লাশির বিরুদ্ধে অজ্ঞাতপরিচয় ইডি আধিকারিক ও সিআরপিএফ-র বিরুদ্ধে শেক্সপিয়র সরণি থানা ও বিধাননগর ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মুখ্যমন্ত্রী।








