
উপসাগরীয় অঞ্চলের ইরান ও আমেরিকার যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতা স্মারক ,মেমোরেন্ডাম আগামী রবিবারের মধ্যেই স্বাক্ষরিত হতে পারে। একটি সূত্র জানিয়েছেন, সম্ভাব্য চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান হিসেবে সুইজারল্যান্ডের জেনেভার নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, চুক্তির ভাষা এখনো চূড়ান্ত করা হচ্ছে। তবে ইরান তার অবস্থানে অনড় রয়েছে যে, সমঝোতার অংশ হিসেবে শুধু ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান নয়, লেবাননেও যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। যেখানে ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। সূত্রটি জানিয়েছে, শনিবারের মধ্যে চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। যাতে রবিবার আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ আনুষ্ঠানিকভাবে এতে স্বাক্ষর করতে পারেন। উল্লেখ্য, এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা অর্জিত হয়েছে এবং সে কারণেই তিনি নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করেছেন। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের একটি দুর্দান্ত সমাধান করেছি।
তবে ইরানি কর্মকর্তাদের বর্ণনা অনুযায়ী, চুক্তির খসড়ায় তেহরানের দীর্ঘদিনের বেশ কয়েকটি দাবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেমন, চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই লেবাননসহ সব ফ্রন্টে একটি ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। ইরান কোনো ধরনের পারাপার ফি বা শুল্ক আদায় ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেবে। এটি জ্বালানি ও বাণিজ্যিক পণ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করবে। চুক্তি স্বাক্ষরের ৩০ দিন পর এই জলপথ দিয়ে নৌযান চলাচল যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরে যাবে। সেইসঙ্গে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে
