
বিতর্কিত হিজাব আইন বলবৎ করার আগেই তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইরান। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেকশিয়ান জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত আইনটি অস্পষ্ট এবং এর সংস্কার প্রয়োজন।
প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়, দেশের মহিলাদের কঠোর ভাবে হিজাব-বিধি অনুসরণ করে চলতে হবে। নিয়মের অন্যথা হলে ১৫ বছরের কারাবাস। অল্প নিয়মভঙ্গে জরিমানা নেওয়া হত। ইরানের ধর্মীয় শাসনের এই হিজাব ফতোয়া নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই বিতর্কের ঝড় ওঠে। সে দেশের একাধিক নারী সংগঠন তো বটেই, বিশ্বের অগ্রণী মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই আইনের বিরুদ্ধে সরব হয়। তার পর এই আইন কার্যকর না-করা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। ২০২২ সালে ইরানি তরুণী মাহসা আমিনিকেও হিজাব না-পরার অপরাধে তুলে নিয়ে গিয়েছিল ইরানের নীতিপুলিশ।
২৪ ঘণ্টা যেতে না-যেতেই পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। মাহসার মৃত্যুর পর গোটা ইরানে যখন প্রতিবাদের ঝড় বয়ে গিয়েছিল।





