
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পূর্বপরিকল্পিত সময়ের চেয়ে আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে তেল আবিবকে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রশাসনের উল্লেখ্য করে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল টুয়েলভ জানিয়েছে, কেবল হরমুজ প্রণালী পুনর্দখল বা উন্মুক্ত করাই এখন আমেরিকার একমাত্র লক্ষ্য নয় বরং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওপর ইরানের একক প্রভাব পুরোপুরি খর্ব করতে চায় হোয়াইট হাউস।
যদিও যুদ্ধের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন,এই অভিযান চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হবে এবং সবকিছু সময়সূচীর চেয়েও দ্রুত এগোচ্ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বলছে ভিন্ন কথা। মার্কিন কর্তারা এখন বলছেন, তারা এই অঞ্চলে একটি স্থায়ী কৌশলগত পরিবর্তন আনতে চান, যার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র এফি ডিফরিন নিশ্চিত করেছেন, ইরান এবং লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর ওপর হামলা আরও বেশ কয়েক সপ্তাহ অব্যাহত থাকবে। অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, যুদ্ধের তীব্রতা কিছুটা কমলেও এই সংঘাত আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়িয়ে যেতে পারে এবং সেক্ষেত্রে মার্কিন সরাসরি অংশগ্রহণ আরও দীর্ঘ হবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানে এ পর্যন্ত অন্তত ১৩শ’ মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিও রয়েছেন বলে জানা গেছে। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েলসহ জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখন কেবল সামরিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই বরং বিশ্বজুড়ে অর্থনীতির এক জটিল সমীকরণে রূপ নিয়েছে।






